প্রিন্ট এর তারিখ: July 21, 2026, 10:54 pm || প্রকাশের তারিখ: March 9, 2023, 10:52 pm
সাভারে বিদেশী কোম্পানীর গোডাউনে চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ৬
নিজস্ব প্রতিবেদক সাভার।। সাভার থানার ভরারী বটতলা জামিয়া আবু ইউসুফ এতিমখানা ও মাদ্রাসার পূর্ব পাশ এলাকা থেকে গত ২ ফেব্রুয়ারি চায়না ফাস্ট মেটালার্জিকাল গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড এর একটি ডিপোতে থাকা ঢাকা ওয়াসার পানির মিটারসহ সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক ও ডিভিআর চুরির অভিযোগে একটি হায়েস মাইক্রোবাসসহ ৬ জন-কে আটক করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ ) রাত্রে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান,ঢাকা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার,জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান-পিপিএম (বার) এসময় তিনি বলেন,গত ১১ ফেব্রুয়ারী রাত ২টা.১৫ মিনিট হইতে ৩টা ২৬ মিনিটের সময় চায়না ফাস্ট মেটালার্জিকাল গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড এর একটি ডিপোতে থাকা ঢাকা ওয়াসার পানির মিটারসহ সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক ও ডিভিআর চুরি হওয়ার অভিযোগে গত ১২/২/২৩ তারিখে কোম্পানীর সিকিউরিটি কমান্ডার মোঃ আহসান হাবীব (৩২) বাদি হয়ে সাভার থানায় একটি মামলা করেন,তারি সূত্র ধরে গত ৮ তারিখ রাত্রে ঢাকা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬জন-কে আটক করা হয়। এবং চুরি হওয়া ওয়াসার পানির মিটারসহ সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক ও ডিভিআর এর বর্তমান বাজারমূল্য (১,৩৩,৬৬,৩৯৫) -(এক কোটি তেত্রিশ লক্ষ ছেষট্টি হাজার তিনশত পচাঁনব্বই) টাকা।
উক্ত বিষয়ে ঢাকা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার,জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান-পিপিএম (বার) সাংবাদিকদের বলেন, আমি উক্ত মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য জনাব আব্দুল্লাহিল কাফী,পিপিএম-বার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ক্রাইম অপস্ এন্ড ট্রাফিক (উত্তর) ঢাকা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,ডিবি,জনাব মোবাশশিরা হাবিব খান, পিপিএম-সেবা কে নির্দেশ প্রদান করি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ক্রাইম অপস্ এন্ড ট্রাফিক (উত্তর) ঢাকা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিবি,জনাব মোবাশ্বশিরা হাবিব খান,পিপিএম-সেবা ডিবি (উত্তর),ঢাকা জেলার মাধ্যমে উক্ত মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য কাজ শুরু করেন। তাদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) এর নেতৃত্বে একটি চৌকষ টিম ঢাকা জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৬ জন আসামী গ্রেফতার করেন।
এছাড়া আটকদের জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত মামলার ঘটনাটি স্বীকার করেছে ও তাদের দেওয়া তথ্যমতে লুন্ঠন হওয়া ১১৬৮ (এক হাজার একশত আটান্ন) পিস প্লাস্টিকের তৈরি পানির মিটারের অংশ ও ৩১৩ (তিনশত তের) পিস পানির মিটারের ধাতব অংশ এছাড়া মালামাল বিক্রয়ের নগদ ৮,০০,০০০/- (আটলক্ষ) টাকা এছাড়াও উক্ত মামলায় আরো একটি ট্রাক ব্যবহৃত হয়েছে,ট্রাক উদ্ধার,মামলার মূল রহস্য উদঘাটন এবং মামলার ঘটনায় জড়িত বাকি আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা ও তদন্ত অব্যাহত আছে। এছাড়া গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
আমাদেরবাংলাদেশ ডটকম/ জাহাঙ্গীর আলম রাজু