আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক : ধামরাইয়ে আরও এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। শিশুটির মা-বাবা পোশাক শ্রমিক। শিশুকে বাসায় রেখে তার মা-বাবা কর্মস্থলে যান। এ সুযোগে আরেক নারী পোশাক শ্রমিকের স্বামী গোলাম মোস্তফা (৫০) ওই শিশুকে চকোলেট খাওয়ানোর কথা বলে নিজের ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে যান। পরে ওই শিশুকে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার সকালে পৌরসভার ইসলামপুর মহল্লায় মিন্টু মিয়ার বাসায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত গোলাম মোস্তফাকে আটক করা হয়। আটক গোলাম মোস্তফা নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার আশুজিয়া গ্রামের জবান হোসেনের ছেলে। তাকে পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার থেকে জানা গেছে, সোমবার সকালে গোলাম মোস্তফা এক শিশুকে চকোলেট খাওয়ানোর প্রলোভন দিয়ে তার কক্ষে নিয়ে যান। এরপর তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা কাউকে বললে শিশুকে হত্যা করা হবে এমন হুমকি দেয় গোলাম মোস্তফা। পরে শিশুকে তার বাসায় পাঠিয়ে দেয় অভিয্ক্তু ধর্ষক। রাতের বেলায় শিশুর মা-বাবা কর্মস্থল থেকে বাসায় আসলে তাদের কাছে বিস্তারিত ঘটনা বলে দেয় শিশুটি। পরে ঘটনাটি পুলিশকে জানালে পুলিশ গোলাম মোস্তফাকে আটক করে।
ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, শিশুকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযুক্ত ধর্ষককে পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার পৌরসভার আমবাগান মহল্লার স্থানীয় আফসার উদ্দিন (৫৫) চকোলেট খাওয়ানোর কথা বলে তার নিজস্ব তিন তলা ভবনের চিলেকোঠায় নিয়ে হাত-পা বেধে পর্যায়ক্রমে চার শিশুকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আফসার উদ্দিনকে আদালতে প্রেরণ করেছে সোমবার। আজ মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানি হবে।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম