আমাদের বাংলাদেশ
✉️ dailyamaderbd24@gmail.com f https://facebook.com/Dailyamaderbangladesh
প্রিন্ট এর তারিখ: জুন ১৫, ২০২৬, ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ || প্রকাশের তারিখ: জুন ২৯, ২০২৪, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে আঁখ চাষে বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি
জাহাঙ্গীর আলম রাজু : কেশবপুরে আঁখের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। আঁখ চাষ করে অনেক কৃষক এখন সাবলম্বী হয়েছেন। উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় লতারি জরা ইশ্বরদী-১৬ ও গ্যান্ডারী জাতের আঁখ চাষে বাম্পার ফলন হওয়ায় দিনে দিনে আঁখ চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। শনিবার (২৯ জুন) বিকেলে কেশবপুর উপজেলার ত্রিমোহিনী,মঙ্গলকোট, বসুন্দিয়া,বাদুড়িয়া যেয়ে দেখা যায় আঁখ ক্ষেতে আঁখ পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে কৃষকরা। আবহাওয়া ভালো থাকায় এই অঞ্চলের মাটি আঁখ চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় এখানকার কৃষকরা তাদের ভাগ্য ভাগ্য বদলাতে ১৯৯৫ সাল থেকে আঁখ চাষ শুরু করে। এছাড়া আঁখ চাষ করে অনেকেই এখন সাবলম্বী।
এছাড়া উৎপাদিত আঁখ বিক্রি করতে যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের বাদুড়িয়া মোড়ে আঁখের সর্ববৃহৎ হাট বসে।  স্থানীয় আঁখ চাষীদের সাথে কথা বলে জানা যায় নিজেদের উদ্যোগে ২০০০ সালে যশোর- সাতক্ষীরা সড়কের বাদুড়ীয়া মোড় নামক স্থানে রাস্তার দুই পাশে আঁখের হাট বসিয়ে প্রাথমিক ভাবে আঁখ বেচাকেনা করে আসছে তারা এছাড়া আরও বলেন,এ বছর আখেঁর বাম্পার ফলন হলেও ভালো বাজার ব্যবস্থাপনা না থাকায় চাষীরা তাদের আঁখের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এছাড়া আঁখ চাষ লাভ জনক হওয়ায় বাদুড়িয়া,মঙ্গলকোট,পাঁচপোতা, বসুন্তিয়া,রামকৃষ্ণপুর,বড়েঙ্গা পাঁচারই,কেদারপুর,সাগরদাঁড়ী,টিটা মোমিনপুর,ঝিকরা,বেগমপুর ত্রিমোহিনীসহ বিভিন্ন গ্রামে আঁখ চাষ শুরু করেছে এলাকার কৃষকরা। এই আঁখ কিনার জন্য প্রতিদিন ব্যবসায়ীরা যশোর, মাগুরা,ঝিনাইদাহ,খুলনা, সাতক্ষীরা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাদুড়ীয়া হাটে এসে লাখ লাখ টাকার আঁখ ক্রয় করে নিয়ে যায়। আর এসব আঁখ বহনের জন্য ব্যবহার করা হয় ট্রাক,পিকআপ,নছিমন, করিমন,আলমসাধু সহ বিভিন্ন ধরনের ইঞ্জিন চালিত যানবাহন।
আঁখ চাষী রহমত আলী,হাফিজুর রহমান নাজমুল, ফারুক হোসেন,সোহাগ মিয়ার কাছে জানতে চাইলে প্রতিদিনের কাগজ এর প্রতিবেদক-কে তারা বলেন প্রতি বছর আঁখ চাষ করে লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা এ আঁখ চাষে ঝুঁকে পড়েছে এখন সমো কৃষকরা পরিচর্যা সহ বিভিন্ন রাসায়নিক সার ব্যবহার করার ফলে প্রতি বিঘা জমিতে আঁখ রোপণ থেকে শুরু করে কাটা পর্যন্ত ১লাখ টাকা খরচ হয়। আর এই আঁখ প্রতি বিঘা বিক্রয় করা হয় ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকায়। যার কারণে এই অঞ্চলের কৃষকরা আঁখ চাষের প্রতি উৎসাহী হয়ে ওঠেছে।
উক্ত বিষয়ে কেশবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা আক্তার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি  বলেন,এ বছর ৫০ হেক্টর জমিতে আঁখ চাষ হয়েছে। এছাড়া তিনি আরও বলেন,দক্ষিণ বঙ্গের একটি বৃহত্তম আখেঁর হাট বসে কেশবপুরের বাদুড়িয়া মোড়ে। ভালো বাজার ব্যবস্থাপনা না থাকায় পাইকাররা এই সড়কের পাশে গাড়ী পার্কিং করে থাকে। এছাড়া বাজারের জন্য নির্ধারিত জায়গা না থাকায় সড়কের দু’পাশে আঁখ রেখে বেচা-বিক্রি করে তারা।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ, মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২154- ০১৩১৮-৬৮০০৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম