
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার ষোলহাসিয়া গ্রামের এক রিক্সাওয়ালার ছেলে রাজিব সে এখন গফরগাঁও এর শীর্ষ চাঁদাবাজ। জানা যা গফরগাঁও যখন প্রশাসনের নজরদারি বেড়ে যায় তখন এই চাঁদাবাজ রাজিব গা ডাকা দিয়ে চলে যায় মাওনা শ্রিপুর এলাকা নাম না বলা শর্তে একাধিক ছোট-বড় মানুষ এই শীর্ষ চাঁদাবাজ মাওনা শ্রীপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত এবং কয়েকবার আইনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে গ্রেফতার এড়িয়ে চলে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে গফরগাঁও পৌরসভা সহ উপজেলার সমস্ত এলাকায় গরু ছিনতাই মানুষ অপহরণ সহ বিভিন্নভাবে চাঁদা আদায় করে দাপটে বেড়াচ্ছে। ব্যাবসায়ী আসাদ,জনো,মুক্তা,সহ অসংখ্য ভূক্তবোগী।
জানা যায় আওয়ামী সরকার পতনের কদিন পরেই গফরগাঁও মাছ মার্কেটে চাঁদা ভাগাভাগি করতে গিয়ে দুই পক্ষের হামলা প্রতি হামলা জসিম নামে এক চাদাবাজ ঘটনাস্থলে মারা যায়। রাজিব এর পিতার নাম শাজাহান ওরফে সাজু একজন রিক্সা চালক মাঝে মাঝে রিক্সা চালায় আর এই ছেলের পাহারাদার হয়ে এলাকায় বিচরণ করে ।এদের এই হিংস্র আচরণের কারণে এলাকার বিশিষ্ট ভদ্র নম্র মানুষ চলাফেরা করতে ভয় পায়। জন স্রোতে শোনা যায় সে গফরগাঁও পাগলা থানা বিএনপি নেতা ডাঃ মোফাখখারুল ইসলাস রানার সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বেড়ায়। রাজিবের ব্যাপারে বেশ কয়েকটি অভিযোগও রয়েছে । জন স্রোতের প্রশ্ন প্রশাসন এখনো নীরব কেন ? এই চাঁদাবাজের ব্যাপারে মুঠো ফোনে গফরগাঁও কয়েকজন বিএনপি নেতার কাছে জানতে চাইলে বলেন এই ছেলে আমাদের বিএনপি'র সাথে কোন সম্পৃক্ততা নেই।
এবি সিদ্দিকুর রহমান সাবেক গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সহ একাধিক বিএনপি নেতা আমাদের প্রতিনিধিকে জানান কোন চাঁদাবাজ অপরাধী বিএনপিতে অনুপ্রবেশের সুযোগ নেই। এবং কোন অসৎ লোককে বিএনপিতে অনুপ্রবেশ করতে দেয়া হবে না। অপরাধী যেই হোক আমরা এদের বিচার চাই এবং প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি যেন গফরগাঁও থেকে সমস্ত অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম