তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করে বলতে চাই, রানার মতো আর কোনও পথশিশু পথে যেন না থাকে, এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাজ করছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে রানার পড়াশোনার সব খরচ আমরা বহন করব। ওর যা লাগে, সবকিছু আমরা দেখব।’উল্লেখ্য, রানার বেড়ে ওঠা কামরাঙ্গীরচরের ৮ নম্বর গলিতে। রানা ঢাবি এলাকায় ঘুরে বেড়ানো অন্যান্য পথশিশুদের মতোই একজন। তার বসবাস রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় হলেও সে সারাদিন ঢাবি ক্যাম্পাস এলাকাতেই ঘুরে বেড়ায়।
কণ্ঠে দারুণ সুর, অসাধারণ র্যাপ গান করে রানা। ক্যাম্পাসে ঘুরে ঘুরে গান শোনানোর বিনিময় মানুষদের কাছ থেকে ২-৫ টাকা চেয়ে নেয়। এভাবেই দিন কাটত ‘গাল্লিবয় রানা’র।গত মে-জুনে তবীবের সঙ্গে পরিচয় হয় রানার। তবীব তার সঙ্গে কথা বলে বাস্তবেই আবিষ্কার করেন সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত বলিউড তারকা রণবীর সিংয়ের ‘গাল্লিবয়’ সিনেমা। তারপরই রানাকে নিয়ে কাজ শুরু করেন তবীব।
