
শাহিন চৌধুরী: ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৪ এ বেশ কিছুদিন ধরে কর্মকরতাদের মধ্যে একটি চক্র টাকার বিনিময়ে অবৈধ ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।এরা প্রতিনিয়ত খোঁজ রাখে কোথায় কখন কি কাজের জন্য লোকজন বিদ্যুৎ অফিসে ঘোরাফেরা করে।চক্রটি গ্রাহক সহ একাধিক ব্যক্তিদের টার্গেট করে কথার ছলে নিজেকে বড় অপিসার ও অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে মোটা অংকের টাকার অফার দিয়ে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। এমনি একটি চক্রের মূল হোতার সন্ধান মিলেছে। ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৪ এর জিনজিরা প্রধান অফিসের কর্মকর্তা এমএস মিজানুর রহমান (সহকারী জেনারেল ম্যানেজার সদস্য সেবা)র বিরুদ্ধে। টাকার বিনিময়ে অবৈধ পন্থায় গ্রাম ইলেকট্রিশিয়ান পরিচয় পত্র প্রদান করে হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা।যাহার নেই কোন দলিল ও স্বচ্ছ প্রমাণ। কম্পিউটার দোকান থেকে হুবহু কার্ড প্রিন্ট করে ধোকা দিয়ে টাকা তাহিয়ে নেন মিজান। এমনি চাঞ্চল্যকর তথ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে মিজানের বিরুদ্ধে।
খোঁজ নিয়ে যানা যায়, বিদ্যুৎ অফিসের স্বৈরাচার হাসিনার স্বাশন আমলে সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হামিদ বিপু ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ সহ সাবেক ডিবি পুলিশ প্রধান হারুনের একান্ত ঘনিষ্ঠ পল্লী বিদ্যুতে সাবেক জেনারেল ম্যানেজার জুলফিকারের বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি ও অনিয়মের টাকার মেশিন হিসেবে কাজ করতো এমএস মিজানুর রহমান। ৩৬ শে জুলাইয়ের পর থেকে আরো হিংস্র হয়ে গেছেন মিজানুর রহমান।টাকা ছারা কোন কাজ করেন না মিজান।গনমাদ্ধমে মুল ধারার পুরাতন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একাধিক ইলেকট্রিশিয়ানরা বলেন,আমরা দীর্ঘ তিন মাস কস্ট করে ট্রেনিং করেছিলাম।যাহা বিআরইবি থেকে আমাদের সনদ দিয়ে গ্রাম ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসেবে আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।এখনও তরবিয়তে বহাল এমএস মিজানুর রহমান বিআরইবির কথা তোয়াক্কা না করে মোটা অংকের টাকার বিনিময় প্রায় (ছয়জন) কে গোপনে পরিচয় পত্র বানিয়ে দেন যাহারা ইলেক্ট্রিশিয়ান হবার যোগ্য নয়।তাহার আরো বলেন রাম ইলেকট্রিশিয়ান হতে হলে কতগুলো গুনাবলি ও নিয়ম জানতে হয়।
কিন্তু তাদের মদ্ধে কোন কিছুই নেই। এমএস মিজানুর রহমান গোপনে যাদের পরিচয় পত্র দিয়েছেন তাদের মদ্ধে মিরাজ,জাকির,স্বপন,ইসরাফিল,ইমরা ও লিটন এদের পরিচয় পত্রএমন পরিচয়পত্র যাহা সম্পুর্ন আইনের বহিরভুত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি একজন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কখনই লুকচুরি করে একক ভাবে কাউকে কোন অনুমোদন দেয় না।গ্রাম ইলেকট্রিশিয়ান আমাদের আওতাভুক্ত না হলেও সারাদেশ তারা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের জন্য ভালো একটি ভূমিকা রেখে থাকেন। তবে আমরা তাকেই প্রাধান্য দেই যারা বিআরইবি থেকে তিন মাস ট্রেনিং করে ভালো ইলেকট্রিশিয়ানের পরিচয় বহন করতে পারে।
এদিকে কেরানীগঞ্জ সহ একাধিক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাম ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করা একাধিক ব্যক্তিরা বলেন, সংবাদ প্রকাশের মাদ্ধমে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, এমএস মিজানুরের সুষ্ঠু তদন্ত সহ তাহার সকল অবৈধ কাজের এবং যাদের ভিয়া ইলেকট্রিশিয়ান পরিচয় পত্র গোপনে প্রদান করেছেন তাদের আইডি কার্ড গুলো ফেরত নিয়ে আমাদের মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখার আহ্বান জানান।নইলে আমরা স্বচ্ছ ইলেকট্রিশিয়ানরা সারা বাংলাদেশ থেকে একত্রে জড়ো হয়ে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৪এ এমএস মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করতে বাধ্য হব। এবং বিআরইবিতে চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ দাখিল করবো।আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উল্লেখিত বিষয় এম এস মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন স্বাক্ষর ও অনুমোদন আমি দিয়েছিলাম কিন্তু আমাকে বলে দিয়েছিলেন জেনারেল ম্যানেজার খালেদুর রহমান। সকল উল্লেখিত বিষয় হাসিনা বেগম পরিচালক প্রশাসন পবিস মানব সম্পদ অধিদপ্তর( বােপবিবো)র কাছে জানতে চাইলে একাধিকবার চেষ্টা করে মোঠ ফোনে তাকে পাওয়া যায়নি।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম