
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাভারের পাথালিয়া ইউনিয়নের ইসলামনগর এলাকার একটি ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে থাকতেন শারমিন। বিকেলে তার স্বামী বাসায় ফিরে কক্ষটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পান। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে শারমিনকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্র জানায়,নিহতের মাথায় ভারি কোনো বস্তুর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, মাথায় গুরুতর আঘাতের ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণই মৃত্যুর প্রধান কারণ হতে পারে। তবে এটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। সাভার থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে: মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এই ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহপাঠীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এবিডি.কম/রাজু
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম