
গতকাল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) চসিক সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এপ্রিল মাস থেকে নগরবাসীকে বর্জ্য সংগ্রহের জন্য কোনো অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না। চসিকের নিজস্ব পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই এখন থেকে সরাসরি বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করবেন। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়: কিছু অসাধু ব্যক্তি এখনো ভেন্ডর পরিচয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ। নগরবাসীকে এ ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জোরপূর্বক টাকা আদায়ের চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যদি কেউ মেয়রের নির্দেশ অমান্য করে টাকা দাবি করে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিম্নোক্ত কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে: প্রণব কুমার শর্মা (উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা): ০১৮১১-৮০৩৬৬৬ মারুফুল হক চৌধুরী (মেয়রের একান্ত সহকারী): ০১৮৯৪-৮৮৩০২০, ০১৮১৯-৯৫৮৮৬০,০১৭৪৩-৯০১৪৮০০ মেয়রের এই জনবান্ধব নির্দেশনা সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে এর সুফল নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন,পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা এখনো টাকা দাবি করছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা জানান:"মেয়রের ঘোষণার কথা জানালে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা সাফ জানিয়ে দিচ্ছেন—টাকা না দিলে ময়লা ডাস্টবিনে দিয়ে আসতে হবে। বাধ্য হয়ে আমাদের আগের মতোই ফ্ল্যাট প্রতি ৭০-১০০ টাকা দিতে হচ্ছে।"
নাগরিকদের দাবি, মেয়রের ঘোষণা বাস্তবায়নে ওয়ার্ড পর্যায়ে কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন। অভিভাবক হিসেবে মেয়রের নির্দেশের সঠিক প্রতিফলন দেখতে চান নগরবাসী। চসিক কর্তৃপক্ষ নগরবাসীকে যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য জমা রাখার অনুরোধ জানিয়েছে। চট্টগ্রামকে একটি ‘ক্লিন, গ্রিন, হেলদি, সেফ ও স্মার্ট সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
এবিডি.কম/রাজু
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম