প্রিন্ট এর তারিখ: July 16, 2026, 12:23 pm || প্রকাশের তারিখ: April 14, 2026, 7:01 pm
আশুলিয়াসহ দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন আলহাজ্ব মো. ইসরাফিল হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক।। বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আশুলিয়া ও ধামসোনাবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব মো. ইসরাফিল হোসেন। নতুন বছরের আগমনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই কালজয়ী পঙ্ক্তি-“মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা, অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা” উদ্ধৃত করে তিনি এক শুভেচ্ছা বার্তায় দেশবাসীর সুখ, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় আলহাজ্ব মো. ইসরাফিল হোসেন বলেন, "বাংলা নববর্ষ বাঙালির জাতীয় ঐতিহ্যের প্রধান উৎসব। এদিন নতুনের বার্তা নিয়ে দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতা ভুলে সবাই আনন্দ আর উদ্দীপনায় জেগে ওঠে। মুঘল আমলে ফসলি সন হিসেবে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল, সময়ের পরিক্রমায় তা আজ সমগ্র বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য ও বৈশ্বিক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলা নববর্ষ কেবল একটি দিন নয়, বরং এটি বাঙালির জাতীয় জাগরণ ও ঐক্যের প্রতীক। তিনি বলেন:"পরাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিকে শেকড়চ্যুত করার অপচেষ্টায় পহেলা বৈশাখ উদযাপনে বাধা দিয়েছিল। এমনকি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মশতবর্ষ উদযাপনেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু বাঙালির অদম্য স্পৃহার কাছে সেই চক্রান্ত ব্যর্থ হয়েছে। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ আজ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার এক মহামিলন মেলায় পরিণত হয়েছে।"
প্রিয় ধামসোনাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,"আসুন, আমরা অতীতের সব গ্লানি মুছে ফেলে নতুনের আবাহনে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই। নতুন বছর আমাদের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ ও প্রশান্তি।"পরিশেষে তিনি আশুলিয়াসহ দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশিকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিময় আগামীর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
এবিডি.কম/ জাহাঙ্গীর আলম রাজু