
খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর এলাকাটি মূলত একটি ‘শিক্ষাবলয়’ হিসেবে পরিচিত। এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে কুয়েট ছাড়াও পার্শ্ববর্তী খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি বিএল কলেজসহ খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী এলাকার বিপুল জনগোষ্ঠী সরাসরি উপকৃত হবে। বর্তমানে এই এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে খুলনা রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরতে হয়, যা সময় ও অর্থ উভয়ের জন্যই অপচয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দৌলতপুরে স্টপেজ চালু হওয়া কেবল একটি যাতায়াত সুবিধার বিষয় নয়, বরং এটি খুলনার উত্তর প্রান্তের জন্য একটি নতুন ‘সংযোগ-দ্বার’ উন্মোচন করবে। যাতায়াত সহজ হলে ত্বরান্বিত হবে এই অঞ্চলের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক প্রবাহ। বিশেষ করে দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাঘবে এটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ স্যারের এই উদ্যোগকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একটি দূরদর্শী ও জনমুখী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। শিক্ষার্থীরা জানান, এই নেতৃত্ব কেবল ক্যাম্পাসের চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নের প্রশ্নে কুয়েট ভিসি অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন।অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, দৌলতপুরকে দক্ষিণাঞ্চলের রেল যোগাযোগের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার এখনই সময়। রেল মন্ত্রণালয় কুয়েট ভিসি’র এই প্রস্তাবনাটি দ্রুত ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করলে খুলনার বৃহৎ একটি অংশের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।
এবিডি.কম/রাজু
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম