প্রিন্ট এর তারিখ: August 11, 2026, 2:46 pm || প্রকাশের তারিখ: August 11, 2026, 12:47 pm
মেধাবিকাশে অনন্য রুহিয়ার ব্রাইট স্টার কেজি অ্যান্ড মডেল স্কুল: এসএসসি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য
মেধাবিকাশে অনন্য রুহিয়ার ব্রাইট স্টার কেজি অ্যান্ড মডেল স্কুল: এসএসসি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় সাফল্য
(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থি ঐতিহ্যবাহী ও স্বনামধন্য বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান 'ব্রাইট স্টার কেজি অ্যান্ড মডেল স্কুল'। ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সুশিক্ষার আলো ছড়িয়ে এ অঞ্চলে শিক্ষার এক বিশ্বস্ত আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। কৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও সঠিক দিকনির্দেশনায় ব্রাইট স্টার কেজি অ্যান্ড মডেল স্কুল ইতোমধ্যে অর্জন করেছে এলাকাবাসীর আস্থা। প্রতিবছরের মতো এবারও মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করে উপজেলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষে অবস্থান করছে প্রতিষ্ঠানটি। চলতি বছর ব্রাইট স্টার কেজি অ্যান্ড মডেল স্কুল থেকে মোট ৬৮ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০ জন পরীক্ষার্থী সর্ব্বো”চ সাফল্য 'জিপিএ-৫' অর্জন করেছে এবং উত্তীর্ণ হয়েছে মোট ৬৬ জন শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানটির গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৭ শতাংশ। ফলাফলের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ আশ্বিনী চন্দ্র বর্মন বলেন, "আমাদের কাক্সিক্ষত লক্ষ্য আরও অনেক উঁচুতে ছিল। তবে শিক্ষার্থীদের নিবিড় পরিচর্যায় আমরা কোনো কমতি রাখিনি। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও সার্বিক প্রস্তুতির তদারকিতে প্রতিটি শিক্ষকের অধীনে চারজন করে শিক্ষার্থী বন্টন করে নিয়মিত হোম মনিটরিং করা হতো। পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া ও তুলনামূলক দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ও বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা সার্বিক ফলাফলে বড় ভূমিকা রেখেছে।" প্রতিষ্ঠানটির এই ধারাবাহিক সাফল্য ও উজ্জ্বল ফলাফলের নেপথ্য কারণ নিয়ে কথা বলেন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এবং গিন্নিদেবী আগরওয়াল মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা। তিনি বলেন, "শিক্ষকদের সুপরিকল্পিত হোম মনিটরিং, নিয়মিত সুকৌশলী দিকনির্দেশনা এবং সার্বক্ষণিক তদারকিই আমাদের এই অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি। বিশেষ করে গ্রামঞ্চলের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় এগিয়ে নিতে আমরা উন্নত হোস্টেল সুবিধা ও আলাদা বিশেষ যত্নে সুব্যবস্থা গড়ে তুলেছি।" তিনি আরও আশা প্রকাশ করে বলেন, যথাযথ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা, আর্থিক সহায়তা ও সুনির্দিষ্ট সুবিধা পেলে প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতে অবহেলিত এই অঞ্চলে শিক্ষার প্রসারে আরও বড় ও তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।