প্রিন্ট এর তারিখ: August 20, 2026, 11:51 pm || প্রকাশের তারিখ: August 20, 2026, 9:30 pm
বাদ পড়া ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর মধ্যে জিয়া পরিবারের বিদ্যালয় রয়েছে সহ ২০ হাজার শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ।
বাদ পড়া ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর মধ্যে জিয়া পরিবারের বিদ্যালয় রয়েছে সহ ২০ হাজার শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ।
বাদ পাড়া ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা দীর্ঘ ১৩ বছর যাবত বিনা বেতনে অজপাড়া গ্রামে কোমলমতি শিশুদের কে পাঠদান দিয়ে যাচ্ছে।
৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০ হাজার শিক্ষক প্রত্যেকটা শিক্ষক অনার্স মাস্টার্স ডিগ্রী মাস্টার্স কমপ্লিট। ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে ৫৩৪টি বিদ্যালয় রয়েছে যিনি বাংলাদেশে সর্বপ্রথম বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশন এবং শিক্ষকদের বেতন ভাতা তিনি প্রথম চালু করেছিলেন তিনি হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজকে তার সুযোগ্য সন্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান স্যার (এমপি) মহোদয়কে কাছে আকুল আবেদন ২০ হাজার শিক্ষকের চাকরির জাতীয়করণ করে দু'মুঠো ডাল ভাত খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয়করণের জন্য চিঠি হয় প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয় থেকে ১১ টি জেলা এবং ১১ টি উপজেলা যাচাই-বাছাই করে ৫০০০ বিদ্যালয় পাই প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কনসাল্টেশন কমিটি গঠন করে ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয়করণ করার জন্য উপদেষ্টা, সচিব, উপসচিব, সকল কর্মকর্তারা স্বাক্ষর করেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয় থেকে
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সাল ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাতীয়করণের চিঠি হয় এই বিদ্যালয়গুলোতে প্রায় ৮ লক্ষ দিক কোমলমতি শিশুর রয়েছে যারা উপবৃত্তি পাচ্ছে না মিটফিল পাচ্ছে না এই কোমলমতি শিশুগুলি বৈষম্যের শিকার। এই ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষকেরা বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কেউ টিউশনি করায় অটো রিক্সা চালায় কেউ আবার রাত্রিবেলা সিকিউরিটি গার্ড কাজ করে পরিবার চালাচ্ছে সন্তানদেরকে ভালো স্কুলে পড়াতে পারছে না অসুস্থ বাবা মার চিকিৎসা করাতে পারছে না। এই ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক বিনা বেতনে মৃত্যুবরণ করেছে অনেক শিক্ষক বিনা বেতনে রিটারমেন্টে চলে গেছে অনেক শিক্ষকের বিদ্যালয়ে কর্মরত অবস্থায় বয়স প্রায় শেষের দিকে এরাই বিদ্যালয়ে ব্যতীত অন্য কোন জায়গায় চাকরি করতে পারবেনা বয়স চলে গেলে কোন প্রতিষ্ঠানে কোন বেকার শিক্ষককে নিতে চায় না। পৃথিবীর কোন দেশে শিক্ষকদের বেতনের জন্য রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করে ধুলাবালির মাঝে রাস্তায় পড়ে থাকে অথচ কর্মকর্তারা এসি রুমের ভিতরে থাকে এই প্রাথমিক শিক্ষাদান করার কারণে আজকে কেউ প্রধানমন্ত্রী, কেউ মন্ত্রী, কেউ এমপি, কেউ আবার সচিব হয়েছে আজ এইসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা দীর্ঘ ১৩ বছর যাবত বৈষম্যের শিকার। শিক্ষকতা হলো মহান পেশা আজকে যারা এই ৫০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকতা করতেছে তাদের আজকে সমাজে কোন দাম নেই কারণ গ্রামে একটা পরিবার চালাতে প্রতিমাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা প্রয়োজন অথচ তারা একটি টাকাও পাচ্ছে না দীর্ঘ ১৩ বছর যাবত। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এই ৫০০০ বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ২০ হাজার শিক্ষকের মোট সরকারের ব্যয় হয় ৪০ কোটি টাকা।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী প্রতি জেলায় জাতীয়করণের আওতায় আসবে (৭৯ টি) করে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এটা বর্তমান সরকারের জন্য বেশি আর্থিক ব্যায় হবে না ২০ হাজার শিক্ষকের কর্মসংস্থান হয়ে গেল শিক্ষকের চাকরি হয়ে গেল পরিবারে স্বচ্ছলতা ফিরে আসবে বর্তমান সরকারের কাছে আকুল আবেদন ২০ হাজার শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ করে সমাজে বেঁচে থাকার মত ব্যবস্থা করে দিন।
সাদ্দাম হোসেন রুহান মন্ডল
যুগ্ম মহাসচিব: বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি
(কেন্দ্রীয় কমিটি) ঢাকা।
ফোন নাম্বার: ০১৬১২২৭৬৫০৪