আমাদের বাংলাদেশ
✉️ dailyamaderbd24@gmail.com f https://facebook.com/Dailyamaderbangladesh
প্রিন্ট এর তারিখ: September 21, 2026, 3:57 pm || প্রকাশের তারিখ: September 21, 2026, 2:33 pm
আশুলিয়ায় শিল্পকারখানার কর নির্ধারণে অনিয়মের অভিযোগ‘প্রকাশিত সংবাদ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক’ দাবি নস্কর আলীর
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় ধামসোনা ও ইয়ারপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন শিল্পকারখানার ট্যাক্স বা কর নির্ধারণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করেছেন কর নির্ধারণের দায়িত্বে থাকা নস্কর আলী ওরফে লস্কর।
সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়, শিল্পকারখানার আয়তন নির্ধারণ ও আর্থিক সক্ষমতার প্রতিবেদন তৈরিতে কারসাজির মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কর কমিয়ে দেওয়ার নামে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও তোলা হয়। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন নস্কর আলী। তার দাবি, প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলোর পক্ষে কোনো প্রামাণ্য দলিল বা সুনির্দিষ্ট তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।
নস্কর আলী বলেন, “কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে আমার বিরুদ্ধে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ওই সংবাদের কোনো ডকুমেন্টস নেই।” তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও অস্বীকার করে নস্কর আলী বলেন, “ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্সের জন্য কোনো ধরনের লেনদেন আমি করি না। এ বিষয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আমি টাকা গ্রহণ করি না।”নস্কর আলীর ভাষ্য, ইউনিয়ন পরিষদের চাহিদা অনুযায়ী তিনি বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে আয়তন ও অ্যাসেসমেন্টের কাজ করেন। প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা ও সংশ্লিষ্ট তথ্য বিবেচনায় নিয়ে কর নির্ধারণের প্রস্তাব তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কর আদায় করে।
তিনি দাবি করেন, তার দায়িত্ব মূলত অ্যাসেসমেন্ট বা মূল্যায়ন করা। কর আদায়ের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। ফলে তার বিরুদ্ধে সরকারি রাজস্ব আত্মসাৎ বা কর কমিয়ে দেওয়ার যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সঠিক নয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন বাড়ি-ঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানার কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে অ্যাসেসমেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। এ সময় প্রতিষ্ঠানের আয়তন, ব্যবহার, আর্থিক সক্ষমতা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট তথ্য বিবেচনায় নিয়ে কর নির্ধারণের প্রস্তাব তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ইউনিয়ন পরিষদের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় কর আদায় করা হয়।
প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়ে নস্কর আলী বলেন, তার দায়িত্ব পালনের প্রক্রিয়া যাচাই করতে হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের নথিপত্র, অ্যাসেসমেন্ট প্রতিবেদন ও কর নির্ধারণের কাগজপত্র যাচাই করা যেতে পারে। এতে প্রকৃত বিষয়টি স্পষ্ট হবে। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যদি কোনো অনিয়মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকে, তা প্রকাশ করা হোক। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়া মিথ্যা ও হয়রানিমূলক সংবাদ প্রকাশ করে একজন ব্যক্তির সম্মানহানি করা উচিত নয়।
এদিকে অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই এবং প্রয়োজন হলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহলের অনেকে। তাদের মতে, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করা-দুই ক্ষেত্রেই তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ, মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২154- ০১৩১৮-৬৮০০৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম