ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সিলেট মৌলভীবাজার মহাসড়কের ফেঞ্চুগঞ্জ সেতুর টোলপ্লাজা (টোল আদায় ঘর) স্থানীয়দের কাছে গলাকাটা ঘর নামে পরিচিত হয়েছে। এই প্লাজায় বিরামহীন ভাবে টোল আদায় করা হচ্ছে। মাত্র ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ফেঞ্চুগঞ্জ সেতুর টোল আদায় হচ্ছে দেড় দশকের বেশি সময় ধরে। তাও শেষ হচ্ছে না টাকা তোলা। জানা যায়, ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসেই এ সেতুর টোল ইজারা শেষ হয়। কিন্তু আজ্ঞাত কারনে আজ পর্যন্ত চলছে যানবাহন থেকে টাকা আদায়। এ নিয়ে বার বার গনমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলেও কার্যকরি কোন ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ। এমন কি বর্তমানে কিসের বলে টোল আদায় হচ্ছে এই উত্তরও মিলেনি।
স্থানীয় সূএে জানা যায় গত ৮ই সেপ্টেম্বর টোলপ্লাজায় অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন সিলেট জেলা সমন্বিত কার্যালয়। কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোস্তফা বুরহান উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ধরা পড়ে এখানে আর্থিক দুর্নীতি ও অবৈধতার। টোল আদায়ের অনুমতির ব্যাপারে কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি কর্তব্যরত ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম। এমন কি তিনি কোন দপ্তরের আওতায় চাকরি করছেন তাও জানেন না বলে দুদক টিম কে জানান।
টানা দুই ঘন্টার অভিযান অনুসন্ধান শেষে দুদক টিম সাংবাদিকদের জানান, এখানের প্রাপ্ত অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। অভিযানে এক মাস পেরিয়ে গেলেও কার্যকরি কোন ব্যবস্থা চোখে না পড়ায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে স্থানীয়দের মাঝে।
পিকআপ চালক হারুন মিয়া বলেন, দুদক তো আইলো দুর্নীতিও ফাইলো (পেলো) তে কিতা করলা? (করলো)। স্থানীয় যানবাহন চালকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না কেন? তবে কি দুদকও ব্যর্থ কোন সিন্ডিকেটের কাছে? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে দুর্নীতি দমন কমিশন সিলেট জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোস্তফা বুরহান উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ঢাকায় প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি ব্যবস্থা নিতে তারাই অনুমতি দিবে।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম