
এস,এম সুলতান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি: কার্যাদেশ নেই তো কি হয়েছে,কাজতো করতে হবে! তাই কার্যাদেশ দেয়ার আগেভাগেই একটি রাস্তার হেরিং বোন বন্ড (এইচবিবি) করণ কাজ শুরু করেছেন শাসকদলের নেতারা। তারা কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই কাজ শুরু করেছেন। অবশ্য কাজ শুরুর বিষয়ে এখনও কিছুই জানেন না অফিসের কর্মকর্তা।এতক্ষণ যে কাজের বিষয়ে বলছি সেটি লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের ০৩ নং ওয়ার্ডের জয়নালের বাড়ী হতে জজ মিয়ার বাড়ীর পাকা রাস্তা পর্যন্ত (১০০০ মিঃ) রাস্তা এইচবিবি করণের।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানাগেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপণা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের অধীনে -বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচির আওতায় ২০১৯-২০ অর্থ গ্রামীণ মাটির রাস্তা সমূহ টেকসই করণের লক্ষে হেরিং বোন বন্ড (এইচবিবি) করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় আদিতমারীতে ৪টি প্যাকেজের বিপরীতে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়। সম্প্রতি এসব কাজের লটারী অনুষ্ঠিত হয়। লটারীতে ওই রাস্তাটির কাজ পান হাতীবান্ধার শাম্মী এন্ট্রারপ্রাইজ নামের একজন ঠিকাদার।
এদিকে এখনও ওইসব রাস্তার সংশ্লিষ্ট ঠিকদারগণের সাথে এখনও কাজের কোন চুক্তি হয়নি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়ের। আর চুক্তি হওয়ার পর অফিস কার্যাদেশ প্রদান করে থাকেন। কিন্তু এখানে ঘটেছে ব্যতিক্রম।
শনিবার (২ নভেম্বর) বিকালে উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের জয়নালের বাড়ী হতে জজ মিয়ার বাড়ী পর্যন্ত এইচবিবি করনের রাস্তাটি ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় শেষ পর্যায়ে রাস্তাটি থেকে মাটি সরানো হয়েছে। গত দুদিনে স্কেলেটার মেশিন দিয়ে রাস্তাটি থেকে মাটি সরিয়েছেন শাসকদলের নেতারা। অথচ কাজের মূল ঠিকাদারও এখনও এবিষয়ে কিছুই জানেন না। অথচ কাজ শুরু করেছেন তারা। তবে শাসক দলের নেতাদের দাবী তারা ওই ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজটি কিনে নিয়েছেন। নাম প্রকাশ না করে একাধিক ব্যক্তি জানান, হঠাৎ করে গত দুদিনে মেশিন দিয়ে রাস্তাটি থেকে মাটি অপসারণ করা হয়েছে।
কে কাজ করছে তাও তারা জানেন না।
উপজেলা যুবলীগ নেতা আসাদুন্নবী হীরা জানান, রাস্তার মাটি অপসারণের কাজ শেষ পর্যায়ে। কার্যাদেশ কি অফিস দিয়েছেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টাকা দিলেতো চুক্তি হবে। এখনও চুক্তি হয়নি বলে তিনি স্বীকার করেন। হাতীবান্ধা শাম্মী এন্ট্রারপ্রাইজের শফিক হাসানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও মোবাইল বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মফিজুল ইসলাম জানান, এখনও ঠিকাদারের সাথে কোন ধরনের চুক্তি সম্পাদন হয়নি। আর চুক্তি সম্পাদন হওয়ার পর কার্যাদেশ দেয়া হয়ে থাকে। কিন্তু কি কারণে কার্যাদেশ ছাড়া তারা রাস্তা থেকে মাটি অপসারণ করছেন তা তিনি জানেন না।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম