প্রিন্ট এর তারিখ: জুন ১৭, ২০২৬, ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ || প্রকাশের তারিখ: নভেম্বর ৯, ২০১৯, ৪:০১ পূর্বাহ্ণ
সন্ধ্যা থেকে মধ্য রাতে আঘাত আনতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’মোংলা সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত
আহসান টিটু, বাগেরহাট জেলা সংবাদদাতা।। প্রলয়ঙ্কারীরূপে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। এ কারণে মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ দেখাতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এখন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। শনিবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এই সতর্কতা জারি করা হয়। আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।’
তিনি জানান, উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। আজ সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে বুলবুল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। এ কারণে ৫ থেকে ৭ ফুট পর্যন্ত উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। উপকূলবর্তী এলাকার জনগণকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশের উপকূলবর্তী ১৩ জেলায় বুলবুলের প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ড. মো. এনামুর রহমান। শুক্রবার বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। ঝড় মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও প্রতিমন্ত্রী জানান। এদিকে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায় সম্ভব্য ঘুর্ণিঝড় মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মোংলা বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। রাসমেলা বাতিল করা হয়েছে।