প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ৮:৫০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ৯, ২০১৯, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
বাগেরহাটে শুরু হয়েছে দমকা হাওয়ার সাথে বৃষ্টি, নেই বিদ্যুৎ

আহসান টিটু, বাগেরহাট জেলা সংবাদদাতা।। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবে বাগেরহাট জেলায়ও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত চলছে। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে দমকা হওয়া আর বৃষ্টি। বিদ্যুৎ নেই উপকূল উপজেলাগুলোতে। সক্রিয় হয়ে উঠেছেন স্থানীয় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির লোকজন। মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যেতে জেলার শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও মোংলা উপজেলার গ্রামে গ্রামে মাইকিং চলছে। দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির লোকজনের পাশাপাশি বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৬টি ইউনিট বিভিন্ন এলাকায় লোকজনদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং করছেন। পুলিশও রয়েছে সতর্ক অবস্থায়। এদিকে বুলবুল মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। উদ্ধার কাজে মজুত রয়েছে নৌবাহিনীর ৫টি যুদ্ধ জাহাজ।
তবে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জানার পর সামান্য কিছু মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে যাচ্ছেন। বেশির ভাগই অপেক্ষা করছেন, চরম পর্যায়ের জন্য।
শনিবার বিকেলে বাগেরহাট সংলগ্ন দড়াটানা নদীতে দেখা যায়, প্রায় দুই শতাধিক মাছ ধরা ট্রলার সমুদ্র থেকে ফিরে এসেছে। ট্রলারে থাকা জেলেরা জানান, সাগরে প্রচুর মাছ ছিল। তারপরও প্রাণ বাঁচাতে চলে এসেছেন। তবে এখনও অনেক জেলে সাগরে রয়েছে। আসলে বঙ্গোপসাগর থেকে ইচ্ছে করলেই চলে আসা যায় না। আসতে অনেক সময় লাগে বলে জানান তারা।শরণখোলার দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির আমিনুল খান বলেন, ‘১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জানার পর থেকে আমরা এলাকায় মাইকিং করছি। যাতে মানুষ দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যায় সে জন্য বলছি।’বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মাসুদ সরদার বলেন, ‘মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার জন্য আমাদের ৬টি টিম বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করছে। এছাড়া জেলার ৫টি স্টেশনে ৮টি টিম প্রস্তুত রয়েছে।
পার্শ্ববর্তী জেলাতেও কথা বলা আছে প্রয়োজনে সেখান থেকে কিছু ইউনিট বাগেরহাটের জন্য আনা হবে।’ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সকল কর্মকর্তারা সার্বক্ষনিক প্রস্তুত রয়েছেন। এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে ত্রিশ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি খাবারের আরও প্যাকেট তৈরির ব্যবস্থা চলছে। দূর্যোগের সময় চিড়া যেহেতু বেশি প্রয়োজন হয়, তাই আমরা বাজারে কয়েকটি চিরা কলকে তৈরি রেখেছি যাতে প্রয়োজন হলে তারা আমাদেরকে চিড়া সরবরাহ করতে পারেন।’ তিনি বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের একাধিক টিম দূর্যোগের অধিক ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা শরণখোলা, মোরেলগঞ্জ ও মোংলাতে অবস্থান করছে।
সম্পাদকীয়,বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৮/১, আরামবাগ,মতিঝিল-ঢাকা-১০০০
যোগাযোগ: মোবাইল ০১৭১৩-৩৩২১৫৯- ০১৩১৮-৬৮০৩৮১
আমাদেরবাংলাদেশ. ডট কম