নিজস্ব প্রতিবেদক।। খুলনা মহানগর ৩২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ত্যাগি নেতৃত্ব আর দুর্দিনের কান্ডারী সফল সাধারণ সম্পাদক মো: সোহেল সরদারকে পূণরায় সাধারণ সম্পাদক দেখতে চাই ৩২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা । কর্মী বান্ধব নেতৃত্ব আর বঙ্গবন্ধুর প্রতি দূঢ় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কারনে নেতাকর্মীদের কাছে তিনি অত্যান্ত আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন। খুলনা মহানগর ৩২ নং ওয়ার্ড তথা আড়ংঘাটা থানা এলাকায় ত্যাগী রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে দলকে সামনের দিকে যারা এগিয়ে নিয়েছেন তার মধ্যে সোহেল সরদার অন্যতম।
একদিকে সমাজসেবায় নিজেকে যেমন নিবেদিত রেখেছেন,তেমন অন্যদিকে সাংগঠনিক দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দলীয় নেতাকর্মী এবং কাছে হয়েছেন অত্যান্ত প্রিয় এবং আস্থাভাজন ব্যাক্তিত্ব । তার পিতা প্রয়াত শহীদ সরদার আনিছুর রহমান ছিলেন খুলনা মহানগর ৩২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সভাপতি। তিনিও ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে পরিক্ষিত সৈনিক। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করেছেন। ১৯৯৫ সালের ১৪ই জুন কালরাত্রে শুধু আওয়ামীলীগ করার অপরাধে এবং বঙ্গবন্ধুর দর্শনকে ভালোবাসার অপরা বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাসীরা তাকে নির্মম নৃশংসভাবে হত্যা করে।
প্রায় অর্ধশতাধিক বুলেটের আঘাতে ঘাতকরা তার সম্পূর্ণ দেহকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়। শহীদ সরদার আনিছুর রহমানকে নির্মম হত্যাকান্ডের মাধ্যমে তারা ভেবেছিলো এখানে আরা কেউ বঙ্গবন্ধুর ছবি বুকে ধারণ করবে না। কিন্তু ফলাফল হয়েছিল উল্টো সকল শ্রেনী পেশার মানুষ আনিছ হত্যার প্রতিবাদে একতাবদ্ধ হয়েছিল। সবাই একসাথে গেয়েছিলেন নৌকার জয়ধ্বনি। অন্যদিকে পিতৃহারা সোহেল শোককে শক্তিতে রুপান্তর করে পিতার দেখানো পথ এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করে আওয়ামী রাজনীতিতে পদার্পণ করেন।
সোহেল ছোটবেলা থেকেই বাবার মুখে বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনী ও তার বীরত্বগাথা দেশপ্রেমের গল্প শুনে শুনে তিনি আওয়ামীলীগ রাজনীতিতে আকৃষ্ট হন। পারিবারিক ভাবেই তিনি আওয়ামিলীগ রাজনীতিতে পদার্পণ করেন ।
স্থানীয় আওয়ামীলীগ কর্মী মোঃ আবেদীন শেখ জানান, সোহেল সরদার দল এবং নেতা কর্মীদের প্রতি অত্যান্ত দ্বায়িত্বশীল। দলীয় যে কোন কর্মসূচি অত্যান্ত দক্ষতার সাথে পালন করেন। এজন্য সে তার পিতার মতোই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। তার পিতাকে সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে হত্যা করার পর সে কিন্তু প্রতিশোধের নেশায় মত্ত হয়ে উঠেনি। বরং আইনকে শ্রদ্ধা করে পিতার সেই প্রিয় রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগকে আকড়ে ধরেছেন। ত্যাগ আর সততার মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে সারাক্ষণ ব্যাস্ত থাকে।
দলীয় সকল কর্মসূচিতে তার পদচারণা আছেই। আর তাইতো তিনি খুলনার সকল শ্রেনী পেশাজীবি, মাটি ও মানুষের নেতা শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এবং খুলনা সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের অত্যান্ত স্নেহভাজন হয়ে উঠেছেন । আড়ংঘাটাবাসী তথা ৩২ নং ওয়ার্ডের সকল নেতাকর্মীরা সফল ও যোগ্য নেতৃত্ব হিসাবে সোহেল সরদারকে পূণরায় ৩২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক দেখতে চায় । তাকে দ্বায়িত্ব দিলে ৩২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ আরও একধাপ এগিয়ে যাবে এবং ত্যাগিরা সম্মানিত হবে আর হাইব্রিডদের দৌরাত্ম কমে আসবে।
খুলনা মহানগর ৩২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোহেল সরদার বলেন, আওয়ামীলীগ করার অপরাধেে আমার আব্বাকে জীবন দিতে হয়েছে। আমি আজীবন আমার মরহুম আব্বাজানের দেখানো পথ এবং আদর্শে চলতে চাই। আমিও বঙ্গবন্ধুকে মনে প্রাণে শ্রদ্ধা করি এবং ভালোবাসি। এজন্য সকল ত্যাগ উপেক্ষা করেও আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িয়ে আছি, আর আজীবন বঙ্গবন্ধুর ছবি বুকে আগলে রাজনীতি করতে চাই।
আর দলের জন্য যারা ত্যাগী এবং নিবেদিত প্রাণ তাদের সমন্বয়ে ৩২ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগকে আগের তুলনায় দ্বিগুণ পরিচ্ছন্ন ও শক্তিশালী করতে চায়। এছাড়াও আমাদের গণমানুষের অভিভাবক মাননীয় শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে, মাদার অব হিউম্যানিটি, ভ্যাকসিন হিরো, সফল রাষ্ট্র নায়ক, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে এবং বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল গড়ার লক্ষ্যে যে ভিশন বাস্তবায়িত হচ্ছে তার সাথে সহায়ক ভূমিকা পালনের সর্বাত্মক চেষ্টায় থাকবো।