আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। মাগুরার ২৫০ শয্যার হাসপাতালের চিকিৎসকদের ক্লিনিক বাণিজ্য, কোন কোন কর্মচারীর দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন, নিম্মমানের খাদ্য সরবরাহ, সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে জেলা কারাগারে পচা চাল-গম সরবরাহ, কৃষকদের কাছ থেকে ধান চাল সংগ্রহে সিন্ডিকেট বাণিজ্য, ভুমি অফিসে নানা অনিয়ম, সাব রেজিষ্ট্রারদের দুর্নীতির মাধ্যমে দলিল লেখকদের অবৈধ অর্থ উপার্জন, মটর সাইকেলের লাইসেন্স প্রাপ্তিতে হয়রানি, দালালদের দৌরাত্ম, সেটেলমেন্ট অফিসে একজনের জমি অন্য নামে রের্কড করে দেয়াসহ নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উপস্থাপনের মাধ্যমে আজ বৃহস্পতিবার মাগুরায় দুর্নীতি কমিশনের গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাগুরা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোর ও মাগুরা জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো. মোজাম্মেল হক খান। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন মাগুরা জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম। বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার খান মুহাম্মদ রেজোয়ান,দুদক খুলনা অঞ্চলের পরিচালক আব্দুল গফফার, পৌর মেয়র খুরশীদ হায়দার টুটুল, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবুনাসির বাবলু প্রমুখ।গণশুনানীতে জেলার বিভিন্ন এলাকার ৩০ জন অভিযোগকারীএসব অভিযোগ করেন। যার মধ্যে মাগুরা সদর হাসপাতালের স্টোর কীপার গৌতম কুমার, সাব রেজিষ্ট্রি অফিসির দলিল লেখক মোহন লাল রায় (খোকন ঠাকুর), জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থে অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে সরাসরি দুদকের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হয়। বাকি অধিকাংশ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কর্মকর্তা, স্থানীয় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মাধ্যমে তদন্ত পূবর্ক ব্যবস্থা গ্রহনের সিদ্ধান্ত হয়।