তরিকুল ইসলাম।। ভ্রমনপিয়াসী মানুষের সময় এবং চাহিদার কথা মাথায় রে
খুলনা শহরের কাছেই প্রকৃতির কাছাকাছি যেতে চাইলে এর চেয়ে আদর্শ আর কোন জায়গা হতে পারে না। এ পার্কটি চলতি বছরের ২০ ডিসেম্বর জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ব্যস্ততাপূর্ন জীবন থেকে একটু স্বস্তি এবং পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটি দিন আনন্দঘনভাবে কাটাতে ছুটে যেতে পারেন এই সুন্দর রিসোর্টটিতে।
৯.২৫ একর জায়গায় গড়ে তোলা এমিউজমেন্ট পার্কটিতে রয়েছে ক্যারোসেল, অক্টোপাস রাইড, নাগরদোলা, বাম্পার কার, সেল্ফ কন্ট্রোল্ড প্লেন, ট্রেন, ফ্লাইং কার, জাম্পিং ফ্রগ, লেডি বাগ, মটর রাইড, কেবল কার, সুনামি পুল, ওয়াটার স্লাইড রাইন্ড।
ওয়েষ্টার্ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান এ.এস.এম আলাউদ্দিন ভূঁইয়া এর একমাত্র অকাল প্রয়াত ছেলে মোঃ ইমরান উদ্দিন রানার স্মৃতিতে নির্মিত হয়েছে নয়নাভিরাম ও অপরূপ সুন্দর রানা রিসোর্ট এন্ড এমিউজমেন্ট পার্কটি।
ওয়েষ্টার্ণ গ্রুপ এর চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আমার একমাত্র ছেলে রানার স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে রানা রিসোর্ট এন্ড এমিউজমেন্ট পার্কটি নির্মাণ করা। এটি নির্মানের উদ্দেশ্য হলো আমার ছেলের স্মৃতিকে জড়িয়ে এ অঞ্চলের কর্মসংস্থান ও বিনোদনের ব্যবস্থা করা। রিসোর্টে প্রবেশ মূল্য ধরা হয়েছে ৩ শ টাকা। এই প্রজেক্টটি শেষ হলে এক সাথে ৩ হাজার লোক এখানে অবস্থান করতে পারবে। এছাড়া এ প্রতিষ্ঠানে একসাথে সাড়ে ৩ শ থেকে ৪ শ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
যেভাবে যাবেন:
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার বরণপাড়ার রানা রিসোর্ট এন্ড এমিউজমেন্ট পার্কটি অবস্থিত। খুলনারজিরোপয়েন্ট থেকে বাস, মা