প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দুপুর দুইটায় নির্ধারিত সময়ে ঝিনাইদহ বাস-মালিক কর্তৃপক্ষ থেকে ভাড়া করা ঝিনাইদহগামী ‘নবচিত্র’ বাসে গাড়াগঞ্জে পৌঁছালে এ দুর্ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা অন্য এক বাসের ড্রাইভার ঐ বাসের নিচে আগুন দেখতে পান।
তাৎক্ষণিক বাসচালক বুঝতে পেরে গাড়ি থামানোর পর পুরো ইঞ্জিন কভার কালো ধোয়ায় পরিপূর্ণ হয়ে পরে। মুহূর্তের মধ্যে কভারের জ্বলতে থাকা আগুন ইঞ্জিন থেকে তীব্র গতিতে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।
পরে বাসচালক কভারের স্টিলসহ ইঞ্জিন কাপড়ের মাধ্যমে ধরে দ্রুত বাসের বাহিরে নেয় এবং ঘটনাস্থলের পাশে দোকান-পাট থাকায় পানির ব্যবস্থা করে দোকানদারদের সহায়তায় ইঞ্জিনের আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়া করা সকল বাসের যান্ত্রিক ত্রুটিসহ অন্যান্য অসংগতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যাতায়াতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে ভূক্তভোগী এক শিক্ষার্থী জানান, ‘অল্পকিছুক্ষণ আগে ও ফাঁকা রাস্তায় এই দুর্ঘটনা ঘটলে পানি সংকটের কারণে মর্মান্তিক কিছু হয়ে যেতে পারত। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এ সমস্যা দূরীকরণের জোর দাবি জানাচ্ছি।’
এ ব্যাপারে পরিবহণ প্রশাসক অধ্যাপক ড. রেজোয়ানুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা। কেউ আমার কাছে অভিযোগ করেনি।’