নিজস্ব প্রতিবেদক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৪ আসনে নির্বাচনী মাঠ সরগরম। এ আসনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দারুস সালাম থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে অংশ নেওয়া সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক সাজু।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন সাজু। দলীয় প্রার্থী না হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে তার অবস্থান শক্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দলীয় সাপোর্ট না থাকায় তৃণমূল বিএনপির একটি বড় অংশ তার দিকে ঝুঁকছে।
সাজুর বাবা এস এ খালেক মিরপুর এলাকা থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। খালেক পরিবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থান ও ভোটব্যাংক এই এলাকায় সুপরিচিত। গত বছর এস এ খালেকের মৃত্যুর পর থেকেই মিরপুরের বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রাখছেন সাজু। বিএনপির দুঃসময়ে দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন বলে জানান। এ সময়ে অর্থনৈতিক সহায়তার পাশাপাশি অনেককে জেল-জুলুম থেকে রক্ষা করেছেন।
সম্প্রতি এক গণসংযোগে সাজু বলেন,আমি জনগণের চাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি। ঢাকা-১৪ আসনে আমার ৩৩ বছরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার কারণেই মিরপুরবাসী আমাকে সাদরে গ্রহণ করছে।
গণসংযোগকালে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পাওয়ার কথাও জানান তিনি। ভোটের মাঠে নিজের জয় নিয়ে আশাবাদী সাজু বলেন,মিরপুরে খালেক পরিবারের ব্যাপক অবদান রয়েছে। এই এলাকার উন্নয়নে আমাদের পরিবারের ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন,যদি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে ঢাকা-১৪ আসন থেকে আমি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো। ঢাকা-১৪ আসনে বর্তমানে সাজু সহ তিনজন হেভিওয়েট প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ব্যারিস্টার আরমান এবং বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সানজিদা ইসলাম তুলি।
হেভিওয়েট প্রার্থীদের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে সাজু বলেন,আমি দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করেছি এবং বিএনপির দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। বাকি দুই প্রার্থী এই এলাকার স্থায়ী কেউ নন। এ সময় তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী একজনই হবে। তাই সবাইকে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাই।