নিজস্ব প্রতিবেদক।। দেশের নবগঠিত সরকারের সামনে যখন পুঞ্জীভূত ঋণের বোঝা এবং মজুরি বৃদ্ধির মতো চ্যালেঞ্জ,ঠিক তখনই শিল্প খাতকে অস্থিতিশীল করতে ‘গভীর ষড়যন্ত্রের’ আভাস পাওয়া যাচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি প্রভাবশালী তৃতীয় শক্তির অর্থায়নে শ্রমিক নেতা ফরিদুল ইসলাম এবং মিজানুর রহমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ ও রাষ্ট্রের ক্ষতি সাধনে লিপ্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষ এবং সচেতন মহলের দাবি-বিদেশে ভ্রমণ ও বিলাসী জীবনযাপন করা এই নেতাদের আয়ের উৎস ও গতিবিধি এখনই খতিয়ে দেখা জরুরি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও সচেতন মহলের মতে,রাষ্ট্র যখন অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে, তখন শিল্প কারখানা ধ্বংসের কারিগর হিসেবে পরিচিত কিছু অসাধু শ্রমিক নেতা সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। অভিযোগ রয়েছে যে,ফরিদুল ইসলাম ও মিজানুর রহমানের মতো নেতারা পর্দার আড়ালে থেকে শ্রমিকদের উসকানি দিচ্ছেন। তাদের এই তৎপরতার পেছনে কোনো বিদেশি শক্তি বা দেশের স্বার্থবিরোধী কোনো মহলের বিশাল অঙ্কের অর্থায়ন রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আন্দোলনের নামে মাঠ গরম রাখা এই নেতাদের জীবনযাত্রার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ সাধারণ শ্রমিকরাই। অভিযোগ উঠেছে: এরা নিয়মিত বিদেশে যাতায়াত করছেন এবং সেখানে গোপন বৈঠক করছেন। শ্রমিক রাজনীতির আড়ালে বিশাল অঙ্কের অর্থের লেনদেন হচ্ছে। তাদের আয়ের বৈধ কোনো উৎস না থাকলেও বিলাসী জীবনযাপন করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন,এখনই যদি এদের আইনের আওতায় আনা না হয়, তবে সরকার যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। মজুরি বৃদ্ধির দাবিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তারা শিল্প উৎপাদন বন্ধের পায়তারা করছে,যা দেশের রফতানি খাতকে পঙ্গু করে দিতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের জোর দাবি: ১. ফরিদুল ইসলাম ও মিজানের আয়ের উৎস ও ব্যাংক হিসাব তদন্ত করা হোক। ২. তাদের সাম্প্রতিক বিদেশ ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও সেখানে কাদের সাথে দেখা করেছেন তা খতিয়ে দেখা হোক। ৩. শিল্প এলাকায় তাদের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। রাষ্ট্রকে ঋণের বোঝা থেকে মুক্ত করতে এবং শিল্প খাতকে বাঁচাতে এই তথাকথিত নেতাদের মুখোশ উন্মোচন করা এখন সময়ের দাবি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ষড়যন্ত্রের জাল আরও বিস্তৃত হতে পারে,যার মাশুল দিতে হবে সাধারণ জনগণকে।
এবিডি.কম/ জাহাঙ্গীর আলম রাজু