বাগেরহাট সংবাদদাতা।। সর্বস্তরের মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে চির নিদ্রায় শায়িত হলেন শরণখোলা উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন আকন। বিকাল ৪.৩০ মিনিটে রায়েন্দা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।
উপজেলায় স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি মানুষের সমাগম হয় জননেতা কামাল উদ্দিনের জানাজায়। এসময় হাজার হাজার শোকাহত মানুষকে বিলাপ করতে শোনা যায়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মায়ের পাশে শায়িত হন জনপ্রিয় এ নেতা।
আজ বৃহস্পতিবার ৫ ডিসেম্বর,২০১৯ গভীর রাতে তিনি শরণখোলাস্থ উপজেলা পরিষদের বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। এরপর তাকে তাৎক্ষনিকভাবে খুলনায় প্রেরন করা হয়। খুলনায় পৌঁছালে ফরটিস্ হাসপাতালের চিকিৎসক ভোর ৬টার দিকে তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে রায়হান উদ্দিন শান্ত, পান্থ, ইমরান হোসেন শুভ, মেয়ে সুরভী আকতার, জামাতা আজিজুল ইসলাম সবুজ ও ভাই বোন, আত্মীয় স্বজন, অসংখ্য দলীয় নেতা কর্মী ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
কামাল উদ্দিন আকনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার বেশ বর্নাঢ্যময়। প্রথমে তিনি রায়েন্দা সদরে মেম্বর নির্বাচিত হন। পরে ২বার রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান ছিলেন। পরপর তিনবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন কামাল উদ্দিন আকন। এর পূর্বে তার পিতা আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আকন ছিলেন শরণখোলা উপজেলা চেয়ারম্যান।
রাজনীতিতেও তিনি সফল ব্যক্তি। পরপর তিনি তিনবার শরণখোলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন। সর্বশেষ গত ১০ দিন পূর্বে ২৫ অক্টোবর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রয়াত মনিরুজ্জামান বাদল হলেন তার ছোট ভাই।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ হলেন তার জামাতা।