রাত ১২টার পর সাধারণত রোগী কম থাকে। তখন দায়িত্বরত জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ও সহকারি পাশের রুমে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এরই মধ্যে এক রোগী হাসপাতালে এসে এমন অবস্থা দেখে মোবাইল ফোনে ছবি ধারণ করে। এটি ঠিক করেনি।তিনি আরও বলেন নাইট গার্ড না থাকার কারনে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে ঘটনার দিন জরুরী বিভাগের ডিউটি কার ছিল তিনি সঠিক জানাতে পারেনি। তবে ঘটনার বিষয়ে জানতে শ্যামনগর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ০১৭৩০৩২৪৬১৮সরকারি মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অজয় কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন, রোগীটাকে আমরা চিকিৎসা দিয়েছি। নাম পরিচয় এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। আমাদের কাছে রেকর্ড আছে। জরুরী বিভাগ চব্বিশ ঘন্টা খোলা থাকে। রাতে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের যিনি ডাক্তার ও সহকারি থাকেন অনেক সময় পাশের বিশ্রাম রুমে বিশ্রাম নেয়। হাসপাতালে জরুরী বিভাগের বিছানা ও চেয়ারে কুকুরের অবস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, হাসপাতালের মধ্যে ৩-৪টি কুকুর রয়েছে। হাসপাতালের বাসিন্দাদের মতই। যখন ডাক্তার ও সহকারি বিশ্রামে ছিল সে সময় হয়তো বা কুকুর জরুরী বিভাগে ঢুকে পড়েছে। হাসপাতালে কোন সিকিউরিটি গার্ড বা নাইটগার্ড নেই। সে কারনে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।