বেনাপোল প্রতিনিধি।। যশোরের শার্শা উপজেলার পুটখালী ইউনিয়নের পুটখালী গ্রামে ত্রাণ বিতরনের সিলিপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।পুটখালী এলাকার সন্ত্রাসী বুদো নাসির(বড়)বাহিনীর হামলায় ২নাম্বার ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক জোদ্দু ও তার মা কদবানু সহ মোট দশ জন আহত হয়েছেন।যোদ্দুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘটনার সুত্রপাত চালের (১০ টাকা কেজি)সিলিপ বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া নিয়ে।সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে জোদ্দুর মা কদবানু খাতুন (৯২),জোদ্দুর স্ত্রী জেছমিন খাতুন(৩৮) সহ দশ জনকে বেধড়ক রামদা, চাইনিজ কুড়াল ও রড দিয়ে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেছেন।
গুরুতর আহত দেরকে গ্রামবাসী উদ্ধার করে পুটখালির গ্রাম্য চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে বাড়িতে রেখেছেন।হামলা ঘটনায় জড়িত বুদো নাসির বাহিনীর সন্ত্রাসী জাকির,মইরদ্দীর পুত্র মনটু,মোরশেদের পুত্র শিমুলও আহম্মদের পুত্র হোসেন আলী সহ অপরিচিত আরো ১২ জন সন্ত্রাসী বলে নিশ্চিত করেন আওয়ামী নেতা জোদ্দু।তিনি আরো জানান,গ্রামে সিলিপ বিতরনের সময় হঠাৎ সন্ত্রাসীরা এসে আমাকে বলেন তোকে সিলিপ বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে কে বলেছে।চেয়ারম্যানের নাম উল্লেখ করতেই সন্ত্রাসী দল আমার উপর হামলা চালায়।
আমার মা স্ত্রী সহ পরিবারের সদস্যরা ঠেকাতে আসলে তাদের কেউ মেরে জখম করেন ঐ বাহিনী।উল্লেখ্য হামলার মুল নির্দেশ দাতা এলাকার ত্রাস বুধো মন্ডলের পুত্র নাসির উদ্দীন বলে জানা যায়।গত ১৩এপ্রিল এই নাসির বাহিনীই স্টার এজেন্সীর পক্ষে পুটখালী গ্রামের দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করতে আসা বিট খাটাল পরিচালনার নতুন দায়িত্ব প্রাপ্তদের উপর হামলা চালিয়ে ছিলো।ঐ ঘটনায় আহতরা যশোর পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছে।আসপাশের ইউনিয়নেও বুদো নাসির বাহিনীর সন্ত্রাসী কর্ম কান্ড পরিচালিত হয়।
ভূক্তভোগীরা ভয়ে মুখ খুললেই অস্ত্র ও মাদক দিয়ে চালান করে দেওয়া হয় নাসিরের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলার মত যশোর জেলাতে নেই। পারেনা।কালো টাকার প্রভাবে স্থানীয় প্রশাসন ও ম্যানেজ করে নাসির বাহিনী সন্ত্রাসীর রাজত্ব চালায়।গত ০৬,১১,২০১৯, তারিখে গোগা ইউনিয়নের বাগআঁচড়া প্রেসক্লাব সদস্যরা সংবাদ সংগ্রহ করে ফেরার পথে সেতাই পৌঁছালে ফিল্মইষ্টলে বুদো নাসির বাহিনী গণমাধ্যম কর্মী সাইদ,নয়ন,আবদুল্লাহ, সহিদুল, জয়নাল দের অস্ত্র (শটগান )দিয়ে আঘাত করে ও চড়থাপ্পড় মারে সন্ত্রাসী নাসির।
ডাক ছেড়ে বলে তোদের গুলি ক’রে দিয়ে পাঁচ কোটি টাকা খরচ করবো আমার কিছু হবে না।হামলার স্বীকার জোদ্দু পরিবাকে মামলা করতে থানায় যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এমন কি প্রান ভয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে পারছেনা।অদৃশ্য মহলের চাপে রাতারাতি মিটিয়ে নেওয়ার জন্য চাপপ্রয়োগ করা হচ্ছে পরিবার টিকে।জোদ্দু পরিবার বর্তমানে নিরাপত্তা হীনতায় আছেন।
সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের আসংখ্যা সন্ত্রাসী হামলার সঠিক বিচার পাবেনা জোদ্দু পরিবার চাপ প্রয়োগ করে যে কোন সময় তার বক্তব্য পাল্টে ফেলা হবে ।হামলা ঘটনার বিষয় জানতে মুঠোফোনে পুটখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাষ্টার হাদি উজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন জোদ্দু আওয়ামীলীগের ভালো একজন নেতা।আমি তার এবং তার পরিবারের জন্য সঠিক বিচার করবো।
আওয়ামী নেতার উপর এই সন্ত্রাসী হামলার পরেও স্থানীয় প্রশাসনের ঘটনাস্থলে না যাওয়া ও চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না চাওয়া ঘটনা জনমনে কৌতুহল সৃষ্টি করেছে।কে এই নাসির শার্শা উপজেলার মধ্যে মাদকসম্রাট নাসিরের উপরে কথা বলার মত কেউ নেই। যদি কেহ নাসিরের বিরুদ্ধে সে না হয় মাডার হয়ে যাবে না হয় সারাজীবন জেলখানায় থাকতে হবে গ্রামবাসী এই নাসির বাহিনীর কাছ থেকে আসো কবে মুক্তি পাবেন।