মণিরামপুর( যশোর)প্রতিনিধি।। যশোর মণিরামপুরের কৃতী সন্তান সাংবাদিক মধুসূদন মন্ডল এবার বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) পরিচালনা বোর্ডের সদস্য (পরিচালক) নিযুক্ত হওয়ায় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মণিরামপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ব্যবসায়ী, স্বেচ্ছাসেবী, শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, সরকার বুধবার মধুসূদন মন্ডলসহ ১৩ জনকে সদস্য (পরিচালক) নিযুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
আর এ পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিককে। রাষ্ট্রপতির আদেশে ১৫ জুলাই তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নাসরিন পারভীন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ১৩ সদস্যের পরিচালনা বোর্ড নিযুক্ত করা হয়েছে তিন বছরের জন্য।
জানাযায়, মধুসুদন মন্ডল মণিরামপুর উপজেলার হরিদাসকাটি ইউনিয়নের কাটাখালি গ্রামের অবসর প্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক প্রয়াত মদন মোহন মন্ডলের ছোট ছেলে। তিনি পাঁচবাড়ীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এসএসসি পাস করেন।
১৯৮৬ সালে যশোর এমএম কলেজ থেকে এইচ এসসি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগা যোগ ও সাংবাদিকতায় কৃতিত্বের সাথে অনার্স মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। মধুসূদন মন্ডল ১৯৮৯ সালে প্রথম যোগদান করেন ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক পত্রিকার ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে।
এরপর তিনি ১৯৯৩ সালে ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করেন ইংরেজি দৈনিক দি মর্নিংসানে। সেখানে সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৯৬ সালে যোগদান করেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায়। বাসসে প্রথমে তিনি স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগদান করেন।
এপর জোট সরকারের আমলে ২০০১ সালে তিনি চাকুরিচ্যুত হয়ে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন ডেইলি ইনডিপেন্ডেন্ট দৈনিক যুগান্তর ও দৈনিক সমকালে। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের রায়ে তিনি আবারও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় যোগদান করেন ২০০৯ সালে।
সেই থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ক্রাইম সেকশন ছাড়াও বাসসের ডেপুটি চিফ রিপোর্টার, চিফ রিপোর্টার এবং বর্তমান সিটি এডিটরের দায়িত্বে রয়েছেন মণিরামপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে জন্ম নেওয়া এ কৃতী সন্তান মধুসূদন মন্ডল। এছাড়াও তিনি ছিলেন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোটার্স এসোসিয়ে শনের সাবেক সভাপতি, বিএফইউজের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। এছাড়াও তিনি রয়েছেন মণিরামপুর প্রেসক্লাবের দাতা সদস্য।