মণিরামপুর(যশোর)প্রতিনিধি।। যশোরের মণিরামপুরে সুরাইয়া পারভীন সাথী নামে এক কলেজছাত্রীকে অপহরনের অভিযোগে সোমবার সন্ধ্যার পর থানায় নিউ ব্রিকসের মালিক মহিদুল ইসলাম, মশ্বিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলামের ছেলে সিয়াম হোসেনসহ চারজনের নাম উল্লেখসহ একটি মামলা করা হয়েছে।
সুরাইয়া পারভীন সাথীর পিতা সার ব্যবসায়ী রেজাউল করিম এ মামলাটি করেন।এর মধ্যে অপহরনকারী মহিদুল ইসলাম সম্পর্কে অপহৃত সাথীর চাচা হয়।
রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ সাথীকে উদ্ধারসহ কাউকে আটক করতে পারেনি।
মামলার বাদী উপজেলার মশ্বিমনগর ইউনিয়নের হাজরাকাঠি বেলতলা গ্রামের সার ব্যবসায়ী রেজাউল করিম জানান, তার মেয়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থী সুরাইয়া পারভীন সাথী শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে দর্জির কাছ থেকে জামা-কাপড় নিয়ে বাড়ি আসছিল।
পথিমধ্যে হাজরাকাঠি এলাকার নিউ ব্রিকসের মালিক মহিদুল ইসলাম তার অপর তিন সহযোগী সিয়াম হোসেন, আবদুল কাদের এবং আশরাফুল ইসলামকে সাথে নিয়ে সাথীকে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে উঠিয়ে অপহরন করে।
এরপর বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করেও কোন সন্ধ্যান না পাওয়ায় সোমবার রাতে সাথীর পিতা বাদি হয়ে হাজরাকাঠি গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে নিউ ব্রিকসের মালিক মহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলামের ছেলে সিয়াম হোসেন, জুম্মত আলী সানার ছেলে আবদুল কাদের এবং মোস্তফা হোসেনের ছেলে আশরাফুল ইসলামের নামে অপহরন মামলা করেন।
তবে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম জানান, মহিদুলের সাথে সাথীর দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। সাথীর অভিভাবকরা মহিদুলের সাথে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় ওরা দ্জুনে শনিবার বিকেলে পালিয়েছে। অন্যদিকে সাথীর পিতা রেজাউল করিম জানান, তার মেয়ের সাথে মহিদুলের ইতিপূর্বে সম্পর্ক ছিল। কিন্তু বর্তমান সাথী তাকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় মহিদুল অপহরন করে নিয়ে গেছে।
অপহরনকারি মহিদুল ইসলাম রেজাউল করিমের ফুফাতো ভাই।আর সম্পর্কে মহিদুল ইসলাম সাথীর চাচা হয়। মনিরামপুর থানার ওসি(তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমান চারজনের বিরুদ্ধে অপহরন মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সাথীকে উদ্ধারসহ আসমিদের আটকের চেষ্টা চলছে।