বুধবার (২০ জানুয়ারি) ভোরে, উপজেলার আউশিয়া গ্রামের খালধার পাড়ার একটি মেহগনি বাগানে এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা নারী (২০) ৭নং হাকিমপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের শহীদ মন্ডলের মেয়ে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। দুর্বৃত্তরা তার দুটি আঙ্গুলও কেটে ফেলে। এই ঘটনার পর তার কথিত স্বামী হুসাইনসহ কয়েক ব্যক্তি গা ঢাকা দিয়েছে। স্থানীয়দের অনেক ও স্বজনদের ধারণা তাকে গণধর্ষণের পর তাকে হত্যাচেষ্টা চালানো হয়।
নির্যাতিতার মা জানান, তার মেয়ে বাড়ি থেকে গত বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) বের হয়। তারা জানতে পারে সে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার চন্ডখালী গ্রামের মৃত শাহাদত বিশ্বাসের ছেলে হুসাইন বিশ্বাসের সঙ্গে বিয়ের পর বোনের বাড়ি হরিহরা গ্রামে অবস্থান করছে। পরে বুধবার ভোরে মোবাইলে কল আসে তার মেয়েকে গলাকাটা অবস্থায় আউশিয়া গ্রামে পাওয়া গেছে।
নির্যাতিতার দুলাভাই জানান, তার শ্যালিকা মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে সদ্য বিবাহিত কথিত স্বামী হুসাইন আউশিয়া উচু ব্রীজের কাছে দাঁড়িয়ে আছে, তাকে ঢাকা নিয়ে যাবে। এ কথা বলে বাড়ি থেকে কিছু স্বর্ণালংকার নিয়ে বের হয়।
তাদের অভিযোগ হয়তো তাকে সারা রাত শারীরিক ও যৌন নির্যাতন করে হত্যা করার উদ্দ্যেশ্যে এ ঘটনা ঘটানো হয়।
ওই নারীর ভাই জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার বোনকে কৌশলে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা করে বলে তাদের ধারণা।
মৃত্যুর হাত থেকে পালিয়ে ওই নারী যেখানে আশ্রয় নেন সেই বাড়ির মালিক আউশিয়া গ্রামের জাকির হোসেন জানান, বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তারা নামাজ পড়তে ঘর থেকে বের হলে দেখতে পান একটি মেয়ে গলাতে ওড়না পেঁচানো ও অস্পষ্ট ভাষায় বাড়িতে খবর দেওয়ার কথা বলে।
শৈলকুপা থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, আউশিয়া গ্রামে এক নারীকে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ঘটনায় এখনো কেউ আটক হয়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা ছোঁরা উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযুক্ত হুসাইনের মা ফাতেমা বেগম জানান, তার ছেলে শৈলকুপার আউশিয়া শ্বশুর বাড়িতে থাকে। মাঝে মাঝে বাড়িতে আসে । কি ঘটনা হয়েছে তারা তা জানেন না।























































