আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ-বসুরহাট সীমান্তের বসুরহাট সড়কের ফেনীর দাগনভূঞা চাঁদপুর এলাকয় সড়ক অবরোধ করে আলোচিত-সমালোচিত বসুরহাট পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ করছে দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন। সোমবার (২২ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুরু হয় প্রতিবাদ সমাবেশটি।
প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজক দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামী লীগ হলেও পুরো জেলা থেকে প্রায় দেড় শতাধিক বাসে করে নেতাকর্মী আসতে দেখা গেছে। সড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে নেতা-কর্মীরা সড়কে বসে পড়ে এবং কাদের মির্জার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে।
সমাবেশে বক্তারা কাদের মির্জাকে মাদকাসক্ত অভিহিত করে বলেন, ‘আবদুল কাদের মির্জা সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ফেনীর সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারীসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। তার অপরাজনীতির কারণে নোয়াখালী- ফেনী অঞ্চল আজ অশান্ত। এই অপরাজনীতির কারণে প্রাণ হারাতে হয়েছে তরুণ সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কিরকে।
বক্তারা আরও বলেন, আবদুল কাদের মির্জা বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। সে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতেছে। আওয়ামী লীগের নেতারা প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার কাছে কাদের মির্জাকে দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, দাগনভূঞা উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি মাস্টার কামাল উদ্দিন, জেলা যুবলীগ সভাপতি ও দাগনভূঞা উপজেলা চেয়ারম্যান দিদারুল কবির রতন, ফেনী পৌর সভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, ছাগলনাইয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শুসেন চন্দ্রশীল, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকনসহ অনেকেই।
উল্লেখ্য, সোমবার বসুরহাট পৌর মেয়র কাদের মির্জা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ একইস্থানে সমাবেশ আয়োজন করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বসুরহাট পৌর এলাকায় সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। সন্ধ্যা ৬টায় ১৪৪ ধারা জারির সময় শেষ হয়।