আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনার কারণে স্কুলে যেতে না পারলেও ঘরে বসে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। পরিস্থিতি ভালো হলে খুলে দেওয়া হবে স্কুল।
বুধবার (১৭ মার্চ) সকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস-২০২১ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার। এ জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালাও প্রণয়ন করা হচ্ছে যাতে পরবর্তীতে যেই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা এই পথ ধরেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। তাই সেই সময়ের লাগাম ধরতে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে সরকার কাজ করে যাচ্ছেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
যার জন্ম না হলে এই ভূখণ্ডের মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ থেকে বঞ্চিত থাকতো। পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার মহামন্ত্রে, নিরস্ত্র জাতিকে মুক্তি দিতে যার আবির্ভাব ঘটেছিলো; তিনিই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু। স্বাধীন দেশের স্বপ্নদ্রষ্টা ও মুক্তির দিশারি শেখ মুজিব বেঁচে থাকলে তাঁর বয়স হতো ১০১ বছর। বিশেষ এই দিনটিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবারও উদযাপিত হয় জাতীয় শিশু দিবস। মুজিবশতবর্ষে বিশেষ এই ক্ষণে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা হলো ভার্চুয়াল মাধ্যমে। টুঙ্গিপাড়ায় আয়োজিত শিশু সমাবেশে গণভবন থেকে যোগ দেন বঙ্গবন্ধু কন্যা। তাকে সরাসরি না পাওয়ার আক্ষেপ সোনামণিদের কণ্ঠেও ছিল।
অনুষ্ঠানে আমার বঙ্গবন্ধু শিরোনামে শিশু-কিশোরদের রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুরষ্কার তুলে ধরেন।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার জন্মই যেন হয়েছিলো দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। শিশুদের মধ্যেই আগামীর জাতির কাণ্ডারি খুঁজে নেয়ার চেতনা নিয়ে কাজ করছে সরকার।
করোনার এই বৈরী সময়ে গৃহবন্দি শিশুদের নিয়মিত লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার পরামর্শ দেন সরকারপ্রধান। আজকের শিশুরাই আগামীর উন্নত বাংলাদেশের চালক হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন। পরে শিশু কিশোরদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন শেখ হাসিনা।
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/সিয়াম