এবিডি ডেস্ক: দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে যশোরের ছয়টি আসন থেকে সাত জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তাদের মধ্যে জাকের পার্টির পাঁচ প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র রয়েছেন দুই জন। রবিবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন– যশোর-১ (শার্শা) আসনে মো. সবুর খান, যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে মো. সাফারুজ্জামান, যশোর-৩ (সদর) আসনে মো. মহিদুল ইসলাম, যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে লিটন মোল্লা, যশোর-৫ (মণিরামপুর ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগের) আমজাদ হোসেন লাবলু, হুমায়ুন সুলতান, যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে মো. সাইদুজ্জামান।
যশোর-৩ আসনের জাকের পার্টির প্রার্থী মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনেই জাকের পার্টি প্রার্থী দিয়েছিল। যশোর-৫ আসনের প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হয়ে যান। বাকি পাঁচ আসনের প্রার্থীরা আজ কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছি। এ সরকার ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকলেও নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা ভোটারদের কাছে গিয়েছি। তাদের ভোট নিয়ে কোনও আগ্রহ নেই। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের দল নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
এদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। আমজাদ হোসেন লাবলু বলেন, ‘নির্বাচন করতে মনোনয়ন দাখিল করেছিলাম। তবে ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে এখন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছি।’
অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ূন সুলতান বলেন, ‘আমার বাবা খান টিপু সুলতান আওয়ামী লীগের পাঁচবারের এমপি ছিলেন। দলীয় নেত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের সুযোগ দেওয়ায় আমি মনোনয়নপত্র কিনেছিলাম। কিন্তু নৌকার বিপক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে ইতস্তত বোধ করেছি। এজন্য আমি আমার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছি।’
জেলা রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আবরাউল হাছান মজুমদার জানান, ৩৮ জনের মধ্যে আজ ৭ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বৈধ ৩১ প্রার্থীর মধ্যে আগামীকাল প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। এরপর তারা নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন।