রাবি প্রতিনিধি।। স্বাধীনতার প্রকৃত চেতনা ছিল গণতন্ত্র ও বাক স্বাধীনতা। কিন্তু এজন্য আজ নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। বিজয়ের পর আজকের পর্যায়ে এসে জাতিকে বিভক্ত করে ফেলা হয়েছে। এর ফলে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের শত্রুরা রাজনীতি ও সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে চেপে বসার সুযোগ পেয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় (রাবি) লেখক ফোরাম আয়োজিত এক মুক্ত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখকগণ।
রাবি রবীন্দ্র কলা ভবন শিক্ষক লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়, চট্টগ্রামের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ইমেরিটাস ড. একেএম আজহারুল ইসলাম। উদ্বোধন করেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো: ফজলুল হক। সভাপতিত্ব করেন রাবি লেখক ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক শরীফুল ইসলাম ও সঞ্চালনা করেন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো: সেতাউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাবি পদার্থ বিজ্ঞানের সাবেক অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো: নজরুল ইসলাম ও বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী ও লেখক প্রফেসর ড. আব্দুর রহমান সিদ্দিকী। প্রধান আলোচক ছিলেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম।
‘বিজয়ের বাংলাদেশ: জনগণের বিজয়’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি ও গবেষক ড. ফজলুল হক তুহিন। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন, হেরিটেজ রাজশাহীর সভাপতি গবেষক ও লেখক মাহবুব সিদ্দিকী, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সরদার আবদুর রহমান, প্রফেসর ড. আদিল হোসেন চৌধুরী, প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ, প্রফেসর ড. মো: বিলাল হুসাইন, ড. মো: আখতার হোসেন মজুমদার, ড. মো: রেদওয়ানুর রহমান, ড. সৈয়দ সারওয়ার জাহান প্রমুখ। শিল্পী মো: আবদুল ওয়াদুদ দেশাত্মবোধক সঙ্গীত পরিবেশন করেন। আলোচনায় অতিথিবৃন্দ বলেন, এখন জাতিকে মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়ের যে ইতিহাস শেখানো হচ্ছে তাতে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম এবং মুক্তচিন্তার বদলে দাসত্বমূলক চিন্তা-চেতনার প্রজন্ম তৈরি হবে। স্বাধীন গবেষক ও লেখকদের দায়িত্ব হবে আগামী প্রজন্মের জন্য প্রকৃত ইতিহাস রচনা ও তার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে যাওয়া। রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় লেখক ফোরাম সেই দায়িত্ব গ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।