pinuppin uppin up casinopinup azpinappinup casinopin-uppin up onlinepin up azpinuppin uppin up casinopinappin up azpin up azerbaycanpin-uppinuppin uppin up casinopinup azpinup azerbaycanpin up azerbaycanpin up azerbaijanpin up azpin-uppin up casinopin up casino gamepinup loginpin up casino indiapinup casinopin up loginpinup indiapin up indiapin up bettingpinup loginpin up casino indiapinup indiapin uppinuppin-uppin up 777pin up indiapin up betpin uppin up casinopinup loginpin-up casinopin-uppinup indiapin up kzpinup kzpin-up kzpinuppin up casinopin uppin up kzпинапpin-uppin uppinuppin-upmostbetmosbetmosbet casinomostbet azmosbetmostbetmostbet casinomostbet azmostbet az casinomosbet casinomostbet casinomostbetmostbet aviatormostbet casinomostbet kzmostbetmosbetmosbet aviatormostbet casinomostbetmastbetmostbet onlinemosbetmosbetmostbetmosbet casinomostbet kzmostbetmosbetmosbet casino kzmostbet kzmostbetmostbet casinomostbet onlineмостбетmosbetmosbet casinomostbetmostbet kz1 win aviatoraviator 1 winaviator mostbetaviator1 win casino1win kz casino1 win bet1win kz1win casino1 winonewin casino1 winonewin app1 win game1 win aviator game1win1 win1win uz1win casino1 win online1 win1win casino1win aviator1 win1win casino1win1win aviator1 win1win casino1win online1 win az1win lucky jet1win1 win1 win az1win1win casino1win1 win1 win casino1win slot1win apostas1win slots1win apostalucky jetlucky jet casinolucky jetlucky jet crashlucky jet crashlucky jet casinomostbet lucky jetluckyjetlukyjetlucky jetlucky jet crashlucky jetlucky jet casino4rabet pakistan4rabet4era bet4rabet bd4rabet bangladesh4rabet4rabet game4r bet4rabet casino4rabet4r bet4rabet bd4rabet slots4a bet4era bet4x bet4rabet indiaparimatchmosbet casinomosbet kzmostbetmostbet kzmostbet aviatormosbet aviatormosbetmostbet aviatormostbetmosbetmostbetmosbetmosbet indiamostbetmosbetmostbet india1win cassino1 win casino1 win
শিরোনাম:
মেয়াদ শেষে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-প্রধান উপদেষ্টা ৬ মাস ভিভিআইপি রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু পুলিশে নতুন করে ১৪ হাজার ৫০০ পদ সৃষ্টি হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মানবিক রাষ্ট্র গড়তে চাই, যেখানে সবাই ন্যায়বিচার পাবেন: প্রধানমন্ত্রী আমাদের বাংলাদেশ ডট কম’-এর সেরা রিপোর্টার নির্বাচিত হলেন মোস্তাবিন সিয়াম কালবৈশাখীর পূর্বাভাস, ৭ অঞ্চলে সতর্কবার্তা সংসদে সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে গ্যালারি, মূল ফটক এম এ জি ওসমানী রূপপুরের চুল্লিতে ইউরেনিয়াম বসছে আজ আলীকদম-থানচি সড়কে আফিম চাষী ও আরাকান আর্মির সহযোগী আটক, বীজ উদ্ধার লামা সরই ইউনিয়নে তীব্র গরমে ১৮ শিক্ষার্থীর হিটস্টোক
৫৭ জেলায় ছড়িয়েছে করোনা, না:গঞ্জ থেকে ছড়িয়েছে ২১ জেলায়

৫৭ জেলায় ছড়িয়েছে করোনা, না:গঞ্জ থেকে ছড়িয়েছে ২১ জেলায়

সাহীর মাহবুব।। দেখতে দেখতে সারাদেশে ছড়িয়ে যাচ্ছে করোনাভাইরাস। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ইতোমধ্যে ৫৭টিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মানুষ। আক্রান্ত জেলাগুলোর মধ্যে অন্তত ২১টিতে সংক্রমণ হয়েছে নারায়ণগঞ্জ থেকে যাওয়া লোকজনের মাধ্যমে। আর নারায়ণগঞ্জে সংক্রমণ হয়েছে ইতালি ফেরত প্রবাসীর মাধ্যমে।

এদিকে, আক্রান্ত অন্য জেলার মধ্যে কয়েকটিতে সংক্রমণ হয়েছে ঢাকা ও গাজীপুর থেকে যাওয়া করোনা রোগীর মাধ্যমে। বেশ কয়েকটি জেলার সংক্রমণের কারণ স্পষ্ট হওয়া যায়নি। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নির্ণয় ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশে ৮ মার্চ প্রথম তিন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এই তিনজনের দুজন ইতালি থেকে দেশে এসেছিলেন। তাদের মাধ্যমেই তৃতীয় ব্যক্তির সংক্রমণ হয়। এই তিনজনই নারায়ণগঞ্জের। এর পরই ঢাকা মহানগরীতে কভিড-১৯ শনাক্ত হয়। সেই থেকে গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) পর্যন্ত দেশের ৫৭ জেলায় করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি, বরিশাল বিভাগের ভোলা, রাজশাহী বিভাগের নাটোর এবং খুলনা বিভাগের ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা ও মেহেরপুরে করোনা রোগী শনাক্ত হয়নি।

টাঙ্গাইলে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৮ এপ্রিল। ৪৭ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির বাড়ি মির্জাপুর উপজেলা বৈরাগী ভাওড়া পশ্চিমপাড়া এলাকায়। শনাক্ত হওয়ার তিন দিন আগে তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে মির্জাপুরের বাড়িতে যান। লোকটি নারায়ণগঞ্জে একটি ক্লিনিকে চাকরি করতেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত এ জেলার করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ১৩ জন।

গত ১৯ এপ্রিল সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে জেলার প্রথম করোনাভাইরাস আক্রান্ত শনাক্ত হয়। তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে উপসর্গ নিয়ে নিজের এলাকায় যান। পরে তার নমুনা সংগ্রহ করে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হলে করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। সিরাজগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ডা. জাহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ব্যক্তির মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলায় সংক্রমণ হয়। ১১ এপ্রিল তার করোনা পজিটিভ হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন জেলার সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান।

লালমনিরহাটে প্রথম করোনা পজিটিভ হয় সদর উপজেলায় গোকুন্ডা ইউনিয়নের গুড়িয়া দহগ্রামের এক বাসিন্দার। তিনি নারায়ণগঞ্জে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। শনাক্ত হওয়ার তিন দিন আগে ৮ এপ্রিল তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে বাড়িতে আসেন। তার করোনার উপসর্গ দেখা দিলে নমুনা সংগ্রহ করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ৩১ বয়সী ওই যুবকের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দিনাজপুর জেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ১৪ এপ্রিল। একই দিনে জেলার তিনটি উপজেলার ৭ জন করোনা শনাক্ত হয় বলে জানান দিনাজপুরের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুছ। আক্রান্তদের মধ্যে দুজন হলেন নারায়ণগঞ্জ ফেরত। দুজন গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তারা স্বামী-স্ত্রী। বাকিদের সংক্রমণের কারণ চিহ্নিত করা যায়নি।

চাঁদপুরে প্রথম করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিটি নারায়ণগঞ্জ থেকে যাওয়া। ওই ব্যক্তি করোনা উপসর্গ নিয়ে লকডাউনের মধ্যে ৫ এপ্রিল নৌপথে চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানায় শ্বশুরবাড়িতে যান। পরে শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হলে ৯ এপ্রিল তার করোনা শনাক্ত হয়। ওই তরুণের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুরের সিভিল সার্জন সাখাওয়াত উল্লাহ।

পিরোজপুরে প্রথম করোনা পজিটিভ হয় মঠবাড়িয়ার এক ব্যক্তির। লকডাউনের মধ্যে তিনি ১০ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে পিরোজপুর যান। পরে তার নমুনা পরীক্ষা করলে ১৩ এপ্রিল করোনা পজিটিভ হয়। সিভিল সার্জন হাসনাৎ ইউসুফ জাকী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফরিদপুর প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ১২ এপ্রিল। আক্রান্ত ব্যক্তি নারায়ণগঞ্জ থেকে যাওয়া। তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে ফরিদপুরের নগরকান্দা গেলে তার করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। পরে পরীক্ষার পজিটিভ আসে। একই দিনে এ জেলায় আরেকজন করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। তিনি ঢাকা থেকে এলাকায় যান।

পাবনায় প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় ১৬ এপ্রিল। ৩২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় টাইলস মিস্ত্রির কাজ করতেন। ওই ব্যক্তি ৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে পাবনায় গ্রামের বাড়িতে এসে জ্বর, ঠান্ডায় আক্রান্ত হন। পরে তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করলে করোনা ধরা পড়ে। জেলা সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নরসিংদীতে প্রথম করোনা চিহ্নিত ব্যক্তির বাড়ি জেলার পলাশ উপজেলার ইসলামপাড়া গ্রামে। মুফতি শামীম মিয়া নারায়ণগঞ্জের একটি গার্মেন্টে চাকরি করতেন। তিনি ওই গার্মেন্টের মসজিদে ইমামতিও করতেন। করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তিনি নিজেই ৫ এপ্রিল ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পরীক্ষা করান। পরদিন করোনা পজিটিভ জানতে পারেন। তিনি এরইমধ্যে সুস্থ হয়ে গেছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তি শনাক্ত হয় ২০ এপ্রিল। জেলা শহরের পৌর এলাকার দক্ষিণ চরমোহনপুর এলাকার ওই ব্যক্তি ১৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে এলাকায় আসে। ওই সময় তার কোনও উপসর্গ ছিল না। তবে, নারায়ণগঞ্জ ফেরত হওয়ায় ওই দিনই তার নমুনা সংগ্রহ করে রাজশাহী পাঠানো হলে পজিটিভ আসে। জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।

বান্দরবানে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয় ১৫ এপ্রিল। জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু কোনারপাড়া এলাকার ওই বাসিন্দা কয়েকদিন আগে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাবলিগ করে আসেন। আক্রান্ত ওই ব্যক্তির বয়স ৫৯ বছর।

রংপুরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার এক যুবকের। রংপুর মেডিক্যালে নমুনা পরীক্ষা করলে গত ৮ এপ্রিল তার করোনা পজিটিভ হয়। এর আগে ওই যুবক নারায়ণগঞ্জে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ১১ এপ্রিল। এ জেলায় একই দিনে তিন জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এদের মধ্যে দুজনের বাড়ি হরিপুর উপজেলার। অন্য একজনের বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলায়। সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজার রহমান সরকার জানান, আক্রান্ত তিন জনই নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছেন। এদের বয়স ২০-২৫ বছরের মধ্যে।

নড়াইল জেলায় প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ১৩ এপ্রিল। জেলার লোহাগড়া উপজেলায় শনাক্ত হওয়া ওই ব্যক্তি নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করতেন।

পটুয়াখালীতে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৯ এপ্রিল। বরিশাল বিভাগের মধ্যেও এটি প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনা রোগী। তিনি নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্ট কারখানায় চাকরি করতেন। করোনা পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার আগে তিনি মারা যান।

ঝালকাঠিতে ১২ এপ্রিল প্রথম তিন জনের করোনা শনাক্ত হয়। তারা তিন জনই একই পরিবারের। স্বামী-স্ত্রী ও তাদের শিশু সন্তান। সম্প্রতি তারা নারায়ণগঞ্জ থেকে ঝালকাঠি যান।

নওগাঁর প্রথম করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিও নারায়ণগঞ্জ ফেরত। আত্রাই উপজেলার এই বাসিন্দার ২০ এপ্রিল কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়ে। এ ব্যক্তি গত ৯ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে বাড়ি আসেন। পরে পরীক্ষার ফলাফলে তার নাম নিয়ে বিভ্রান্তি হওয়ায় আবারও পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়।

রাজশাহী জেলায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় ১২ এপ্রিল। তার বাড়ি পুঠিয়া উপজেলার ঝলমলিয়া বগুড়াপাড়ায়। কয়েকদিন আগে ওই ব্যক্তি নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি ট্রাকে করে রাতের আঁধারে বাড়ি ফেরেন।

জয়পুরহাটে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ১৪ এপ্রিল। ওইদিন জেলার দুজনের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। আক্রান্তদের বাড়ি জেলার কালাই উপজেলায়। আক্রান্তরা সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জ থেকে সেখানে যান বলে সিভিল সার্জন ডা. সেলিম মিঞা নিশ্চিত করেন।

গাজীপুর জেলার প্রথম করোনা রোগীও নারায়ণগঞ্জ থেকে সংক্রমণ হয়েছে বলে সোমবার জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম জানান। ওইদিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি জানান, তার জেলায় নারায়ণগঞ্জের সীমান্তবর্তী একটি কারখানা শ্রমিকের শরীরে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। ওই কারখানায় নারায়ণগঞ্জের অনেকে কাজ করেন। তাদের মাধ্যমেই এটা ছড়িয়েছে বলে আমাদের মনে হয়েছে।

অন্যান্য জেলার প্রথম আক্রান্তের মধ্যে পঞ্চগড়, জামালপুর, লক্ষ্মীপুর, কুড়িগ্রাম ও ফেনীতে ঢাকা থেকে যাওয়া লোকজনের মাধ্যমে ছড়িয়েছে। এছাড়া কয়েকটি জেলায় আক্রান্ত হয়েছে প্রবাসীদের মাধ্যমে। কয়েকটি হয়েছে গাজীপুর থেকে। এর বাইরে কয়েকটি জেলার সংক্রমণের উৎস নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে, চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয়েক দফায় চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। এ সময় বেশিরভাগ জেলা থেকেই তাদের এলাকায় করোনা ছড়ানোর জন্য ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জকে দায়ী করেন। কোভিড-১৯-এর বিস্তার ঠেকাতে এই দুই জেলাকে তারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তারা বলেছেন, বিদেশ ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করে তারা করোনা বিস্তার রোধ করতে পারলেও ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ ফেরতদের নিয়ে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে।

জেলাভিত্তিক আক্রান্ত (২১ এপ্রিল পর্যন্ত)

করোনার থাবা সবচেয়ে বেশি পড়েছে রাজধানী ঢাকা মহানগরীতে। এ বিভাগটিতেও আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক। আর করোনার প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে কম খুলনা বিভাগে। আইইডিসিআর থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত করোনায় ঢাকা বিভাগে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৪৫২ জন। মোট আক্রান্তের ৭২.৫ শতাংশই এ বিভাগে। ঢাকা বিভাগের আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে এক হাজার ২২৯ জন (৩৬.৩৪ শতাংশ) এবং জেলাগুলোতে এক হাজার ২২৩ জন (৩৬.১৬ শতাংশ)। এছাড়া অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ১২৫ জন (৩.৭০ শতাংশ), সিলেট বিভাগে ১৮ জন (০.৫৩ শতাংশ), রংপুর বিভাগে ৫২ জন (১.৫৪ শতাংশ), খুলনা বিভাগে ৯ জন (০.২৭ শতাংশ), ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৯ জন (২.৯৩ শতাংশ), বরিশাল বিভাগে ৬৫ জন (১.৯২ শতাংশ) এবং রাজশাহী বিভাগে ২১ জন (০.৬২ শতাংশ)

আইইডিসিআরের তথ্যানুযায়ী, ঢাকা বিভাগের ঢাকা মহানগরীতে আক্রান্ত এক হাজার ২২৯ জন। আর ঢাকা জেলায় ৪৮, গাজীপুরে ২৬৯, কিশোরগঞ্জে ১৪৬, মাদারীপুরে ২৬, মানিকগঞ্জে ৯, নারায়ণগঞ্জে ৪৬৯, মুন্সীগঞ্জে ৫৪, নরসিংদীতে ১৩৬, রাজবাড়ীতে ১০, টাঙ্গাইলে ১৩, শরীয়তপুরে ৮ ও গোপালগঞ্জে ৩০ জন।

চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ৪১, কক্সবাজারে ৫, কুমিল্লায় ২৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১১, লক্ষ্মীপুরে ২৫, বান্দরবানে একজন, নোয়াখালীতে ৪, ফেনীতে ৩ জন ও চাঁদপুরে ১০ জন। রংপুর বিভাগের মধ্যে রংপুরে ৭, গাইবান্ধায় ১৩, নীলফামারীতে ৯, লালমনিরহাটে ২, কুড়িগ্রামে ৩, দিনাজপুরে ১১, পঞ্চগড়ে ১ ও ঠাকুরগাঁওয়ে ৬ জন।

রাজশাহী বিভাগের মধ্যে জয়পুরহাটে ৩, পাবনায় ৩, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১, বগুড়ায় ২, নওগাঁয় ১, সিরাজগঞ্জে ২ এবং রাজশাহীতে ৯ জন। সিলেট বিভাগের মধ্যে সিলেট জেলায় ৪, মৌলভীবাজারে ২, সুনামগঞ্জে ১ ও হবিগঞ্জে ১১ জন। খুলনা বিভাগের মধ্যে খুলনা জেলায় ৩, যশোর ১, বাগেরহাটে ১, নড়াইলে ২ এবং চুয়াডাঙ্গায় ২ জন।

বরিশাল বিভাগের মধ্যে বরগুনায় ১৭, বরিশালে ৩২, পটুয়াখালীতে ৭, পিরোজপুরে ৫ ও ঝালকাঠিতে ৪ জন। ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৪০, জামালপুরে ২২, নেত্রকোনায় ১৮ ও শেরপুরে ১৮ জন।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার ছোবলে দেশে প্রাণ গেল আরো ১০ জনের। এদের মধ্যে সাতজন পুরুষ। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১২০ জনে। বুধবার রাজধানীর মহাখালীর রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) থেকে করোনা নিয়ে অনলাইন সংবাদ বুলেটিনে সবশেষ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, মৃতদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ। বাকি তিনজন নারী। তিনি বলেন, গেল ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৯৬টি পরীক্ষা করা হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩৯০ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৭৭২ জন। একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৫ জন। মোট সুস্থের সংখ্যা বেড়ে ৯২ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানান ডা. নাসিমা সুলতানা ।

বিশ্বব্যাপী সাড়ে ২৫ লাখেরও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজারেরও বেশি মানুষের।

Please Share This Post in Your Social Media

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত: ২০১৮-২০২৩ © আমাদেরবাংলাদেশ.ডটকম