pinuppin uppin up casinopinup azpinappinup casinopin-uppin up onlinepin up azpinuppin uppin up casinopinappin up azpin up azerbaycanpin-uppinuppin uppin up casinopinup azpinup azerbaycanpin up azerbaycanpin up azerbaijanpin up azpin-uppin up casinopin up casino gamepinup loginpin up casino indiapinup casinopin up loginpinup indiapin up indiapin up bettingpinup loginpin up casino indiapinup indiapin uppinuppin-uppin up 777pin up indiapin up betpin uppin up casinopinup loginpin-up casinopin-uppinup indiapin up kzpinup kzpin-up kzpinuppin up casinopin uppin up kzпинапpin-uppin uppinuppin-upmostbetmosbetmosbet casinomostbet azmosbetmostbetmostbet casinomostbet azmostbet az casinomosbet casinomostbet casinomostbetmostbet aviatormostbet casinomostbet kzmostbetmosbetmosbet aviatormostbet casinomostbetmastbetmostbet onlinemosbetmosbetmostbetmosbet casinomostbet kzmostbetmosbetmosbet casino kzmostbet kzmostbetmostbet casinomostbet onlineмостбетmosbetmosbet casinomostbetmostbet kz1 win aviatoraviator 1 winaviator mostbetaviator1 win casino1win kz casino1 win bet1win kz1win casino1 winonewin casino1 winonewin app1 win game1 win aviator game1win1 win1win uz1win casino1 win online1 win1win casino1win aviator1 win1win casino1win1win aviator1 win1win casino1win online1 win az1win lucky jet1win1 win1 win az1win1win casino1win1 win1 win casino1win slot1win apostas1win slots1win apostalucky jetlucky jet casinolucky jetlucky jet crashlucky jet crashlucky jet casinomostbet lucky jetluckyjetlukyjetlucky jetlucky jet crashlucky jetlucky jet casino4rabet pakistan4rabet4era bet4rabet bd4rabet bangladesh4rabet4rabet game4r bet4rabet casino4rabet4r bet4rabet bd4rabet slots4a bet4era bet4x bet4rabet indiaparimatchmosbet casinomosbet kzmostbetmostbet kzmostbet aviatormosbet aviatormosbetmostbet aviatormostbetmosbetmostbetmosbetmosbet indiamostbetmosbetmostbet india1win cassino1 win casino1 win
শিরোনাম:
ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে আমরা ব্যবহার করতে চাই না : প্রধানমন্ত্রী অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ কুইচি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ দুই মামলায় জামিন পেলেন আইভী পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে হাজার হাজার হেক্টর বোরো ধান দীর্ঘ সারি নেই পাম্পগুলোতে, সংকট উধাও ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ৪ টাকা বাড়ল আশুলিয়ায় ভূমিহীন নারীর জমি দখলের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ: ধরাছোঁয়ার বাইরে জুলাই গণহত্যার আসামি আব্দুল আলিকদম অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, ছয় লক্ষ্য টাকা জরিমানা ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
 করোনায় থামছে না সুন্দরবনে হরিণ শিকার বেপরোয়া শিকারীরা

 করোনায় থামছে না সুন্দরবনে হরিণ শিকার বেপরোয়া শিকারীরা

স্টাফ রিপোর্টার।। বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনা পরিস্থিতিতে সারাবিশ্বে এক ধরণের স্থবিরতা বিরাজ করছে। তখন যানবাহনে মানুষের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করায় পরিবেশেও দূষণের হার কমেছে অনেক। লকডাউনের ফলে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনেও পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে বন বিভাগ। সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকায় বনের অতন্দ্র প্রহরী বনরক্ষীরাও কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছে। এসুযোগে সুন্দরবনের অভয়ারন্য এলাকায় হরিণ শিকারে মেতে উঠেছে অসাধুচোরা শিকারীরা। সুন্দরবনের হরিণ শিকারের জন্য সব সময় চোরা শিকারীরা তৎপর থাকলেও লকডাউনের পর থেকে আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার্থে বনবিভাগের সদস্যরা সব সময় তৎপর রয়েছে বলে দাবী করেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা।

বাংলাদেশে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ১৯ মার্চ থেকে সুন্দরবনে পর্যটক প্রবেশ নিষিদ্ধ করেন বন বিভাগ। এই আদেশের পরে বনরক্ষিরা কিছুটা ঢিমে তালে তাদের দায়িত্ব পালন শুরু করে। এই সুযোগে চোরাশিকারীরা তৎপর হয়ে ওঠে হরিণ শিকারে। লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে ১২ মে পর্যন্ত বনবিভাগ, পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করা হয়। এর সাথে ১ হাজার ৯‘শ৫০ ফুট ফাঁদ, কয়েকটি নৌকা ও ট্রলার জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। হরিণ শিকারের অপরাধে ৬জন চোরা শিকারীকে আটক করা হয়। ৫মে সর্বশেষ ৩০কেজি হরিণের মাংস ও ৭‘শ ফুট ফাঁদসহ তিনজনকে আটক করে বন বিভাগ। ওই সময় শিকারীদের পেতে রাখা ফাঁদে আটক ২২ টি হরিণ বনে অবমুক্তকরে বনরক্ষীরা। যারা অপরাধ করে ধরা পড়েছেন তাদের পরিসংখ্যান। এর বাইরে চোরা শিকারীর কি পরিমান হরিণ ও হরিণের মাংস চালান করেছে তার সঠিক কোন পরিসংখ্যান নেই কারও কাছে।

এছাড়া পূর্ব সুন্দরবন বনবিভাগ অভিযান চালিয়ে গেল এক বছরে ২‘শ ৩১ কেজি হরিণের মাংস, ১০টি চামড়া, ৩টি মাথা জব্দ করা হয়। আটক করা হয় ২৫ জন হরিণ শিকারীকে গ্রেফতার করে।এসময় চোর শিকারীদের ব্যবহৃত ১০ টি ট্রলার,২৫ নৌকা ও ৫হাজার ফুটের অধিক হরিণ শিকারের ফাঁদ উদ্ধার করে বনবিভাগ। এসব ঘটনায় করা মামলার ৬৭জন আসামী পলাতক রয়েছেন। সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাবাসী বলছেন, করোনা পরিস্থিতিতে বনরক্ষীদের টহল ব্যবস্থা কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ার বনের অভ্যন্তরে মায়াবী চিত্রা হরিণ নিধনে মেতে উঠেছে সংঘবদ্ধ কয়েকটি শিকারী চক্র। এচক্রের সদস্যরা গোপনে বা ছদ্মবেশে বনের সংরক্ষিত অভয়ারণ্য এলাকায় অনুপ্রবেশ করে ফাঁদ পেতেহরিণ শিকার করে মাংসবিক্রি করছে। কখনোবা জীবিত হরিণও গোপনেপাচার করে দিচ্ছে।গত এক মাসে অন্ততঅর্ধশত হরিন শিকারের ঘটনাঘটেছে। বনরক্ষীরা যে পরিমান হরিণেরমাংস উদ্ধার ও শিকারীদের আটক করে তার চেয়েঅনেক বেশিই হরিণ নিধনের ঘটনা ঘটাচ্ছে শিকারী চক্রের সদস্যরা। এতেসুন্দরবনের জীববৈচিত্রের উপর একটা বিরুপ প্রভাব ফেলবে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।

সুন্দরবন সংলগ্ন শরণখোলা উপজেলার সোনাতলা গ্রামের রহিম, আবুল নকিবসহ কয়েকজন বলেন, করোনা ভাইরাসের জন্য হয়ত ফরেস্ট ও বনের পাহারাদাররা একটু কম আছে। যার কারণে চোরা শিকারীরা বৃদ্ধি পেয়েছে। সুন্দরবনের পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত শহিদুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমান বলেন, সুন্দরবনের মূল সৈন্দয্যর্ হরিণ।সেই হরিণ এখন প্রায়ই অবৈধভাবে শিকার করছে চোরা শিকারীরা।এভাবে যদি দিনের পর দিনচলতে থাকে তাহলে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য নষ্ট হয়ে যাবে।যত দ্রুত সম্ভব সুন্দরবনথেকে হরিণ শিকার বন্ধ করা প্রয়োজন। হরিণ শিকারীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানানতারা। হরিণশিকারীসহ চোরাকারবারীদে ধরতে তারা রাতদিন দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ করে সুন্দরবনকরমজল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্তকর্মকর্তা আজাদ কবির বলেন, আমরা বন বিভাগের প্রতিটা কর্মী বন্যপ্রাণি ও বনকে সংরক্ষণের জন্য ২৪ ঘন্টা দায়িত্বপালণ করি।তারপরও করোনা ও রোজার জন্য আমাদের মনে হচ্ছে যে কোন অসাধু ব্যক্তি যখন তখনবনে ঢুকতে পারে। তাই আমরা আরও বেশি তৎপর হয়েছি। যখন যেখানে খবর পাচ্ছি আমরা ছুটে যাচ্ছি।

সেভদ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. ফরিদুল ইসলাম বলেন, করোনা আক্রন্ত মানুষ যখনগৃহবন্ধ। সুন্দরবনের প্রাণ প্রকৃতি তখন উন্মুক্ত উল্লসিত এবং অবারিত। বাঘ হরিণসহ বিভিন্নপ্রজাতির বন্য প্রাণি সুন্দরবনে নির্ভিঘ্নে বিচরণ করছে।ঠিক এমন সময় একটি অসাধু চক্রসুন্দরবনে হরিণ শিকারে মেতে উঠেছে।সুন্দরবনের কয়েকটি রেঞ্জে ইতোমেধ্য হরিণ শিকারেরঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আমাদের আবেদন এখনই চোরা শিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোরপদক্ষেপ নিন। তা না হলে সুন্দরবন তার সৌন্দর্য্য হারাবে। আমরা হারাবো অপার প্রাকৃতিকসৌন্দর্য্যের আধার সুন্দরবনকে।

পূর্বসুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদবেলায়েত হোসেন বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যার ফলে সুন্দরবন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।হরিণ শিকারীরা মনে করেছিলকরোনা পরিস্থিতির কারণে বনবিভাগ নজরদারি ও টহল কমিয়েছে।এই চিন্তায় কিছু হরিণ শিকারীবনে প্রবেশ করেছিল। আমরা তাদেরকে যথাসময়ে আটক করেছি।কিছু হরিণ শিকারীরা জবাই করেছে। আমরা সব সসময় টহল জোরদার রেখেছি। সুন্দরবনের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার্থে বনবিভাগের সদস্যরা সবসময় তৎপর রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত: ২০১৮-২০২৩ © আমাদেরবাংলাদেশ.ডটকম