
নোবিপ্রবি সংবাদদাতা।। দেশের ২৭ তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ৫ম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা করা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ (১৫ জুলাই)। ২০০১ সালের এই দিনে জাতীয় সংসদে “নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন -২০০১” পাশ হয়।
নোবিপ্রবির একাডেমিক কার্যক্রম ২০০৬ সালের ২২ জুন শুরু হয়।প্রতিষ্ঠাকালীন তারিখ হিসেবে ২২ জুনকে নোবিপ্রবি দিবস হিসেবে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পালন করার হলেও ২০১৬ সাল থেকে এটি পরিবর্তন করা হয় এবং নোবিপ্রবি প্রতিষ্ঠার আইনের পাশের দিন ১৫ জুলাইকে নোবিপ্রবি দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে ক্যাম্পাসকে সাজানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের হল, একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ ভবনসমূহে ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙানো হয়। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বত্রই উৎসবের আমেজ বিরাজ করে। কিন্তু করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে এবারের চিত্রটি পুরোপুরি ভিন্ন।
করোনা মহামারীতে সীমিত পরিসরে পালিত হয়েছে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ছিলো না উৎসবের আমেজ,ছিলো না কোনো আলোকসজ্জা।
আজ ১৫ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বেলুন উড়িয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. দিদার-উল-আলম।
পরবর্তীতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. দিদার-উল-আলম এর নেতৃত্বে র্যালি শুরু হয়। র্যালিটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফারুক উদ্দিন, নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আবুল হোসেন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর, সাধারণ সম্পাদক মজনুর রহমান, অনুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফিরোজ আহমেদ প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, নোবিপ্রবির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী হিসেবে ২২জুন বহাল রাখার দাবীতে গণস্বাক্ষর কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় এর সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থীরা।এবিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. দিদার-উল-আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গণস্বাক্ষরে যে মতামত দিচ্ছে সে অনুযায়ী বিষয়টি আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম যেহেতু ২২ জুন শুরু হয়েছে সেই হিসেবে ২২ জুনকেই বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে পুনর্বহাল করা হবে।