আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।।পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের নৃশংস ঘটনার সঙ্গে পৃথিবীর আর কোনও সামরিক অভ্যুত্থানের মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। এই ঘটনার পেছনে ছিল রাজনৈতিক দূরভিসন্ধিও। ষড়যন্ত্রের এ জালে ছিল দেশি-বিদেশি সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও রাজনীতিকরা। বিভিন্ন দলিল ও নথি পর্যালোচনা করে গবেষকরা বলছেন, তাদের ইন্ধন যোগায় কতিপয় বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী শক্তি।
১৯৭২ সাল। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু, বিষয়টি কিছুতেই মানতে পারছিল না কিছু রাজনীতিক ও গুটিকয় সামরিক ষড়যন্ত্রকারী। ভেঙে যাওয়া দুই পাকিস্তানকে আবারো এক করতে মরিয়া হয়ে ওঠেন তারা। সময় নষ্ট না করে চলতে থাকে তাদের সেই দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের তৎপরতা।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটির মিডিয়া কনসালটেন্ট আসিফ কবির বলেন, ‘মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকে যে গোপন নথি পাঠানো হয় সেখানে দেখা যায়, ১৯৭২ সালে হত্যাকারীরা ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসে যোগাযোগ করে এবং অস্ত্র সংগ্রহ করতে চায়।’
তখন বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রনীতি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধু সরকারের জন্য বন্ধুভাবাপন্ন ছিল না। হত্যাকারীরা এসব দেশের সমর্থন ও সহায়তা পেতে চেয়েছিল।রাজনৈতিক ও সামাজিক উদ্দেশ্যই শুধু নয়, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডকে সাম্রাজ্যবাদী নীল নকশার অংশ মনে করেন অপরাধ বিশেষজ্ঞ জিয়া রহমান।
নেপথ্যের যড়ষন্ত্রকারীদের ধরতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত চান সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল (অব.) হারুন অর রশিদ বীর প্রতীক।বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের ভেতর ও বাইরের উচ্চ পর্যায়ের সমর্থন ও ইন্ধনই হত্যাকারীদের ১৫ আগস্ট বাস্তবায়নের দিকে ধাবিত করে।
আমাদেরবাংলাদেশ/রিফাত