ভুক্তভোগী সামসুন্নাহার জানান, তিনি প্রায় পাঁচ বছর আগে জনৈক ওহাবের কাছ থেকে ৪ শতাংশ জমি ক্রয় করে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। তবে প্রতিবেশী মো. আব্দুল (৫০), তার ভাই লালে (৫৫), শহিদ মিয়া (৫৬) এবং সহযোগী ফারহানা বেগম ও আমানত হোসেন দীর্ঘ দিন ধরে ওই সম্পত্তি দখলের পায়তারা করছে। সামসুন্নাহার অভিযোগ করেন, মো. আব্দুল তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এবং বিবাদীদের অনৈতিক কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ১ আগস্ট ২০২৫ তারিখ বেলা ১১টার দিকে বিবাদীরা দলবদ্ধভাবে তার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ঘরের দরজা ও গ্রিল ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং তাকে প্রাণে মারার হুমকি দেয়।
অনুসন্ধানে ও ভুক্তভোগীর অভিযোগে জানা গেছে, ১নং বিবাদী আব্দুল গত ২০২৪ সালের জুলাইয়ের বিতর্কিত ‘গণহত্যা’ মামলার অন্যতম আসামি। এলাকাবাসীর দাবি, সাভার মডেল থানায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও তিনি এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং ত্রাস সৃষ্টি করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, আব্দুল আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা হওয়ায় এবং রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করছে না।”আব্দুল একজন লম্পট ও লোভী প্রকৃতির লোক। নির্জন স্থানে পেলেই সে আমাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করে। বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
ভুক্তভোগী মোছাঃ সামসুন্নাহার আরও জানান, বিবাদীরা প্রভাবশালী হওয়ায় তিনি এখন নিজ বাড়িতেই অবরুদ্ধ ও আতঙ্কিত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। বিবাদী আব্দুল ও তার সহযোগীদের ভয়ে এলাকায় মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না অন্য সাধারণ মানুষও।
আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ বা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল অবিলম্বে এই ‘গণহত্যা’ মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার এবং অসহায় নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিডি.কম