লিয়াকত হোসেন রাজশাহী।। রাজশাহী পুঠিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওলিউজ্জামান এর প্রকাশ্যে মদদে চলছে অবৈধ পুকুর খননের কাজ।সরজমিনে গিয়ে এমন সত্যতা খুজতে রাজশাহীর একদল গনমাধ্যম কর্মী রবিবার বিকেলে ছুটে যান পুঠিয়া উপজেলার শিলমাড়িয়া ইউনিয়নের তাহেরপুর -পুঠিয়ার প্রধান সড়ক সংলগ্ন কাশিয়া পুকুর নামক গ্রামে।
মিডিয়া কর্মীদের দেখে প্রকাশ্যে বলতে থাকেন পুকুর খননকারী গফুর, ইউ এন ও এর সাথে কথা বলেই পুকুর খনন করছি ।তার খনন কৃত পুকুর যে ভিটামাটিতে চলছে তার প্রমান সাংবাদিকদের ক্যামেরায় উঠে আসে।আরো উঠে আসে পুকুর খননকৃত মাটি প্রধান সড়কে পড়ে থাকার কারনে রাস্তায় চলাচল কারি পথচারীদের জীবনের ঝুকি হয়ে দাড়িয়েছে রাস্তাটি। একটু বৃষ্টিতেই এ রাস্তাটি হয়ে পড়ে যান একটা মরণফাঁদ প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। এই নিয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সাংবাদিকগন কথা বললে তিনি বলেন তার হাইকোর্টের একটি কাগজ আমায় জমা দিয়েছে ।
সেটিতে অনুমতি আছে কিনা ? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন সেটি আমি এখনো দেখিনি।এই পুকুর খননের বিষয়টি তিনি সর্ম্পুন অবগত রয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আমি চৌকিদার পাঠিয়ে দেব ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য। কিছুক্ষন পরে ইউ এন ও এর নিধারিত অফিস সহকারি গোপনে মুঠো ফোনে খবর নেন একজন স্থানীয় সাংবাদিকের নিকট বিষয়টি নিয়ে।
সেই অফিস সহকারি বলেন সাংবাদিকরা কারা ছিলেন স্যার জানতে চেয়েছেন তারা কোন প্রকার সংবাদ প্রকাশ করতে পারে কি না সেটিও জানতে চেয়েছেন সেই অফিস সহকারি।
যা সাংবাদিকদের ফোন রেকর্ডে উঠে আসে। তবে পুকুর খনন কারি গফুর ও স্থানীয়রা ইউ এন ও ওলিউজ্জামান এর সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রকাশ্যে না বললেও সাংবাদিকদের বিভিন্ন অনুসন্ধানে উঠে আসে তার সাথে সখ্যতার বিষয়।
অভিযোগ রয়েছে পুর্বেও এই ইউ এন ও এর সাথে পুঠিয়ার সহকারি কমিশনারের ও মন মালিন্য হয় যা অনেকেই জানেন।উপজেলার ভালুকগাছি ,জিও পাড়া,শিলমাড়িয়া , সহ কয়েকটি ইউনিয়নের পুকুর খনন কারির সাথে গোপনে সখ্যতার ও অভি্যোগ উঠে এই ইউ এন ও এর নামে।
যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এই সকল আবাদি জমির উপর পুকুর খননের বিষয়ে আর সেই সিদ্ধান্তকে বাস্তবে রুপদিতে প্রতিনিয়ত ছুটছেন রাজশাহীর দক্ষ জেলা প্রশাসক হামিদুল হক, আর সেখানে একজন উপজেলা কর্মকর্তা কিভাবে প্রকাশ্যে এমন অবৈধ কাজের ইন্ধন দিচ্ছেন সেটি এখন প্রশ্ন বিদ্ধ হয়েছে সুশীল সমাজের নিকট।