স্টাফ রিপোর্টার যশোর।। যশোরে নির্ধারিতে দামের চেয়ে বেশি টাকায় বিক্রি হচ্ছে সিগারেট। কতিপয় অসাধু খুচরা ব্যবসায়ী ভোক্তাদের কাছে নির্ধারিত মূল্যের বেশিতে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ভোক্তা যেমন ঠকছেন, তেমনি সরকারও রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে। সিগারেট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, তারা নির্ধারিত দামেই পাইকারী বিক্রি করছেন। কিন্তু শহরের কিছু অসাধু দোকানদার খুচরা বাজারে বেশি দাম নিচ্ছে। এতে তাদের কোম্পানির সুনাম নষ্ট হচ্ছে।
জানা যায়, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বিভিন্ন ব্রান্ডের সিগারেটের চাহিদা বাজারে বেশি। জুন মাসে সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রতিষ্ঠানটি সিগারেট সরবরাহ করছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। এক শলাকা বেনসন এন্ড হেজেস ১৪ টাকা, গোল্ডলিফ, ক্যাপস্টান ১০ টাকা, স্টার ৭ টাকা, র্যালস ৫ টাকা, পাইলট, ডার্বি, হলিউড ৫ টাকা ও ডার্বি স্টাইল ৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। কিন্তু খুচরা বাজারে ১ থেকে ২ টাকা প্রতি পিসে বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
একাধিক ভোক্তা জানান, দোকানদাররা বলছেন, বেশি দামে কিনেছেন। এজন্য বেশি দামে বিক্রি করছেন। দাম বেশি হলে সিগারেটের ব্যয় বেড়ে যাবে। ব্রান্ড ধরে রাখা কঠিন হবে। একাধিক বিক্রয় প্রতিনিধি জানান, যশোর শহরের বি-ব্লক বাজার, সিভিল কোর্ট মোড়, হাইকোর্ট মোড়, মুজিব সড়ক, তলতলা এলাকার কতিপয় খুচরা ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আসায় বেশি দামে সিগারেট খুচরা বিক্রি করছেন। এতে ভোক্তার গচ্চা যাচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। কিন্তু সরকার রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে। সতর্ক করলেও তারা শুনছে না।
ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বিক্রয় প্রতিনিধি বিপুল হোসেন বলেন, আমাদের কোম্পানির বেনসন এন্ড হেজেস ও গোল্ডলিফ সিগারেটের খুচরা বাজারে কেউ কেউ বেশি দামে বিক্রি করছে। এতে কোম্পানির সুনাম নষ্ট হচ্ছে। এদের সতর্ক করলেও শুনছে না। ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর যশোরের ম্যানেজার আসাদুজ্জামান বলেন, গত ১১ জুন সরকার সিগারেটের দাম পুনঃনির্ধারণ করেছে। নির্ধারিত দামেই আমরা সরবরাহ করছি। কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার জন্য দাম বেশি নিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এতে ব্রান্ডিং কোম্পানির সুনাম নষ্ট হচ্ছে। একইসঙ্গে ভোক্তা ও সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।