বুধবার বিকেলে উপজেলার আঙ্গারিয়া এলাকার রাঢ়ি বাড়ীর সামনে থেকে শুরু হওয়া পুনঃখননকৃত খালের বিভিন্ন পয়েন্টে ফিতা দিয়ে মাপ নেন ইউএনও। পরিদর্শনকালে প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা তার সঙ্গে ছিলেন। পরিমাপ শেষে দেখা যায়, খালের খনন কাজ মূলত নকশা ও ড্রয়িং অনুযায়ীই সম্পন্ন হয়েছে।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, বসতবাড়ী ও খালের পাড়ে নরম মাটি থাকার কারণে দুই-একটি স্থানে ৩০ ফুটের পরিবর্তে ২৮-২৯ ফুট প্রস্থ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে:যেহেতু মাটি নরম, তাই ভেকু মেশিন দিয়ে সুক্ষ্মভাবে কাটা সম্ভব হচ্ছে না।মেশিন ব্যবহার করলে পাড় সম্পূর্ণ ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বাঁকানো ও সংকীর্ণ স্থানগুলো পরবর্তীতে শ্রমিক দিয়ে ম্যানুয়ালি নকশা অনুযায়ী ঠিক করে দেওয়া হবে।এলজিইডির অধীনে এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১৪০০ মিটার খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে, যার মোট বরাদ্দ ২৪ লাখ টাকা। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই খালটি পুনঃখনন হওয়ায় স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। কৃষিকাজে পানি সরবরাহ ও নিষ্কাশনের পথ সুগম হওয়ায় তারা খুশি।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি বলেন:”সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনিয়মের একটি ছবি ও অভিযোগ দেখে আমরা আজ এখানে এসেছি। আমি নিজে ফিতা দিয়ে ম্যানুয়ালি বিভিন্ন জায়গায় পরিমাপ করেছি। ড্রয়িং ডিজাইনের সাথে খননের মিল পাওয়া গেছে। সামান্য যে ঘাটতি কিছু জায়গায় দেখা গেছে, সেটি ভেকু মেশিনের সীমাবদ্ধতার কারণে। কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছে যে ওই অংশগুলো পরবর্তীতে লোক দিয়ে ঠিক করে দেওয়া হবে।”পরিদর্শনকালে রাজাপুর উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদারসহ এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এবিডি.কম/রাজু