ত্রিশালে মঠবাড়ী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার: সেবার মান বিঘ্নিত করতে একটি মহলের চক্রান্ত!
নিজস্ব প্রতিবেদক, ত্রিশাল |
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) কামরুজ্জামান সেলিমের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি মহলের পক্ষ থেকে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সেবাগ্রহীতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারি সেবা শতভাগ ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করার কারণে সুবিধা বঞ্চিত হওয়া একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও দালাল চক্র সুপরিকল্পিতভাবে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে
সরেজমিনে মঠবাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিস পরিদর্শনে দেখা যায়, সম্পূর্ণ সরকারি নিয়ম মেনে এবং ডিজিটাল ই-নামজারি (E-Namjari) পদ্ধতির মাধ্যমে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে ফাইল প্রসেস করা হচ্ছে। অনলাইনে আবেদনের পর ক্রমানুসারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এখানে কোনো ফাইল আটকে রাখা বা আর্থিক লেনদেনের সুযোগ নেই বললেই চলে। স্থানীয় সচেতন মহল জানান, নায়েব কামরুজ্জামান সেলিম যোগদানের পর থেকে অফিসে দালালদের দৌরাত্ম্য সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়েই অফিসের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে একটি নির্দিষ্ট চক্র ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
: অফিসে সেবা নিতে আসা কয়েকজন সাধারণ নাগরিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা কোনো প্রকার অতিরিক্ত টাকা বা দালালের মাধ্যম ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়ে তাদের নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, “বর্তমানে এই অফিসে কাজের পরিবেশ অনেক ভালো। ডিজিটাল নিয়মে কাজ হওয়ায় সাধারণ মানুষ হয়রানি থেকে মুক্তি পেয়েছে। একটি সৎ অফিসারকে বদলি বা হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এই মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মঠবাড়ী ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, “আমি সরকারি বিধি মোতাবেক শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি। ভূমি অফিসকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত করার ঘোষণা দেওয়ায় কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহলের ব্যক্তিস্বার্থে আঘাত লেগেছে। তারা নিজেদের ফায়দা লুটতে না পেরে আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক অভিযোগ তুলছে, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।” তিনি আরও জানান, সরকারি নিয়ম মেনে জনগণের দোরগোড়ায় সঠিক সেবা পৌঁছে দিতে তিনি সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ ধরনের কোনো অপপ্রচারে তিনি দমে যাবেন না।
স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের দাবি, এই সৎ ও কর্মঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হওয়া মিথ্যা প্রোপাগান্ডার পেছনে যারা জড়িত, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে করে সরকারি কর্মচারীরা নির্ভয়ে এবং সততার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করে যেতে পারেন।