নেত্রকোনার মদন উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১৪। মঙ্গলবার রাতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। তিনি জানান, র্যাব-১৪ এর একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
বুধবার (০৬ মে) দুপুরে ময়মনসিংহে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আসামিকে নেত্রকোনা জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। গ্রেপ্তারকৃত আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা এবং স্থানীয় হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই মাদ্রাসার ১১ বছর বয়সী এক ছাত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি সামনে আসে। পরে শিশুটির মা গত ২৩ এপ্রিল মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ও তার ভাইকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
এর আগে শিশুটিকে মদন উপজেলা সদরের একটি ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলে চিকিৎসকরা নিশ্চিহত করেন যে সে অন্তঃসত্ত্বা। মামলার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে আসছিল। এদিকে, ঘটনার মধ্যে মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযুক্ত শিক্ষকের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন।