আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। দাঁদ হলো ছোয়াচে চর্মরোগ, এটি সাধারনত শরীরের বিভিন্ন স্থানে হতে পারে, দাঁদ হলে আক্রান্ত স্থানে চাকার মতো গোলাকার হয় এবং প্রচুর চুলকানী হয় অতঃপর চুলকালে অনেক জ্বালাপোড়া করে, বিশেষ করে গরুর মাংস, চিংড়ি মাছ, ইঁলিশ মাছ, বেগুন, এগুলো খেলে দাঁদ এর চুলকানী অনেক বেড়ে যায়, দাঁদ এর একটি বিষয় লক্ষনীয় তা হলো দাঁদ প্রচলিত ক্রীম ব্যবহার করলে দেখা যায় যে স্থানে দাঁদ হয়েছে সেখানে ক্রীম ব্যবহার করলে সেখানে দাঁদ ভালো যায়,
কিন্তুু কিছুদিন পর শরীরের অন্যান্য স্থানে দাঁদ দেখা দেয়,কখনো দাঁদ এর আক্রান্ত স্থানে ক্রীম ব্যবহার করলে দাঁদ এর চুলকানী থাকেনা কিন্তুু অাক্রান্ত স্থানটি কালো হয়ে যায়,কখনো দাঁদ এর অাক্রান্ত স্থানে চুলকালে হালকা চামড়া উঠে যায়,কখনো ক্রীম ব্যবহারের পর দাঁদ এর আক্রান্ত স্থানটি পুঁজ যুক্ত গুঁটির মতো হয়ে যায়, কুচকিতে দাঁদ হলে লালচে চাকার মতো হয়ে থাকে, এতে চুলকানী তীব্রতা অনেক বেশী, কুচকী ঘেমে গেলে চুলকানী পরিমান বেড়ে যায় এবং হাটা চলা কষ্টকর হয়ে যাওয়া
,(২)দাঁদ (দাউদ) এর কারন সমূহঃ ( ক) অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জীবন যাপন করা , (খ) দাঁদ ( দাউদ) এর আক্রান্ত ব্যাক্তির কাপড় চোপড় পরিধান করা, (গ) রক্তে এলার্জির মাত্রা বেড়ে যাওয়া, (ঘ) রক্তে কোলেষ্টোরেলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া,(ঙ) রক্ত দূষন হওয়া, (চ) দীর্ঘদিন যাবৎ এলার্জি জাতীয় খাদ্য গ্রহন করা, (ছ) আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করা এবং গোসল করা ,নিম্নে দাঁদ ( দাউদ) এর আক্রান্ত স্থানের ছবি দেওয়া হলো।