আমাদেরবাংলাদেশ ডেস্ক।। সেপ্টেম্বরে স্কুল খুললে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে আর নভেম্বরে খুললে এমসিকিউয়ে হবে পিইসি-জেএসসি পরীক্ষা।স্কুল খুলবে কীনা, না খুললে পরীক্ষা কীভাবে হবে, পরীক্ষা না হলে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেওয়া হবে কিনা-এসব বিষয়ে রবিবার সিদ্ধান্ত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দিবে ।
বুধবার সচিবালয়ে এসব কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, যদি নভেম্বরের মধ্যেও স্কুল খোলা না যায তাহলে অটোপাসের সিদ্ধান্ত নেয়া হতেও পারে। আর শিক্ষাসচিব জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই ১৫ দিনের নোটিশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
গেল মার্চ থেকেই বন্ধ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনলাইনে এবং সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে ক্লাস নেয়ার ব্যবস্থা করলেও সেই সুবিধা দেশের সব শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ঝুলে গেছে এইচএসসি পরীক্ষা। এখন শঙ্কা পিইসি, জেএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার আয়োজন নিযে।
পিইসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে এখন সিদ্ধান্তে আসতে চায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বেশ কিছু বিকল্প প্রস্তাবনা পাঠানো হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, সেপ্টেম্বরে স্কুল খুললে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পিইসি পরীক্ষা হবে। অক্টোবর-নভেম্বরে খুললে নিজ নিজ স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা এমসিকিউ ৫০ নম্বরের ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেয়া হবে।
ডিসেম্বরে খুললে অটোপাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই প্রস্তাব প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে রবিবার (১৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হবে।এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠান এখন সবচেয়ে বেশি মাথাব্যাথার কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনে বিভিন্ন প্রস্তাবনাও নিয়ে হচ্ছে পর্যালোচনা।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন জানান, ১লা জানুয়ারিতে নতুন শিক্ষাবর্ষ চালু হবে। ঐদিনই বই উৎসব হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ১৫ দিনের নোটিশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এইচএসসি পরীক্ষা হবে। জেএসসি পরীক্ষার আয়োজনে বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে। আগামীকাল এ নিয়ে বৈঠক হবে।
তবে পরীক্ষা নিয়ে যে সিদ্ধান্তই আসুক না কেন ,পহেলা জানুয়ারি থেকেই নতুন শিক্ষাবর্ষ চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাসচিব।
প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েকদফা ছুটি বাড়িয়ে তা আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সংসদ টেলিভিশন এবং অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে সরকার।
আমাদেরবাংলাদেশ/রিফাত