চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশে পুঠিয়ায় উন্নয়নের ছোঁয়া: শুরু হলো বহুল প্রতীক্ষিত যাত্রী ছাউনির নির্মাণকাজ।
আজিজুর ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার:
পুঠিয়া,রাজশাহী দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাজশাহীর পুঠিয়ায় শুরু হয়েছে আধুনিক যাত্রী ছাউনি নির্মাণের কাজ। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ও দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এই জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে।
দুর্ভোগ থেকে মিলবে মুক্তি
রাজশাহী, কানসাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও সোনামসজিদ রুটে যাতায়াতকারী হাজারো যাত্রীকে এতদিন রোদ-বৃষ্টির মধ্যে খোলা আকাশের নিচে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে হতো। বিশেষ করে ত্রিমোহনী মসজিদের সামনে বাসে ওঠানামার সময় যাত্রীদের ভিড়ে যেমন যানজট সৃষ্টি হতো, তেমনি আশ্রয়ের খোঁজে যাত্রীদের আশপাশের দোকানের সামনে গিয়ে ভিড় করতে হতো।
এই যাত্রী ছাউনিটি নির্মিত হলে যাত্রীরা স্বস্তিতে অপেক্ষা করতে পারবেন এবং যানজট অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বন্ধ হয়েছে চাঁদাবাজি, স্বস্তিতে ঠিকাদাররা
এলাকাবাসীর মতে, এই উন্নয়নের পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে বর্তমান রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।
স্থানীয়রা জানান, মাননীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এলাকায় চাঁদাবাজি কঠোরভাবে বন্ধ হয়েছে। কোনো ধরনের বাধা বা চাঁদাবাজির ভয় ছাড়াই ঠিকাদাররা নির্বিঘ্নে তাদের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। কোনো উন্নয়নমূলক কাজে এখন আর কাউকে চাঁদা দিতে হয় না, যা পুঠিয়া-দুর্গাপুর এলাকার উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
জনসাধারণের প্রতি আহ্বান
নির্মাণাধীন এই স্থাপনাটি সম্পন্ন হওয়ার পর সেটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব এলাকাবাসীর। মসজিদের সামনে অপ্রয়োজনীয় জটলা কমিয়ে সচেতনভাবে এই যাত্রী ছাউনি ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।