
রনি ইমরান।। চলমান শৈত্য প্রবাহে পাবনার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কনকনে ঠান্ডায় মানুষ দিশেহারা হয়ে ছুটছে গরম কাপরের সন্ধানে।
নদী বেষ্টিত উত্তরের জেলা পাবনা গত তিন দিন ধরেই কাঁপছে শীতে। এক দিকে হিমেল হাওয়া অন্যদিকে মৌসুমী মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় কনকনে ঠান্ডায় মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের কিছুটা সময়ে পাবনার ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস কিন্ত আজ শনিবার তা আরো কমে গেছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।আজ পাবনায় কোথাও সূর্যের দেখা মেলেনি।
হঠাৎ সারাদেশে শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাতাস থাকায় শীতে কাঁপছে দেশ। আগামী ৭২ ঘণ্টায় তাপমাত্রা আরও কমার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। পাশাপাশি ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাবে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল।
মধ্যরাত থেকে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলসহ রাজধানীতে বইতে শুরু করেছে কনকনে ঠান্ডা বাতাস। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা।
আবহাওয়াবিদ আফতাব উদ্দিন বলেন, বাতাসের কারণে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামীকালও বাতাস থাকবে।
শীতে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের এবং পাবনার চরাঞ্চলের মানুষ পড়েছেন বিপাকে। প্রচণ্ড শীতে তারা জীবন জীবিকার তাগিদে বাইরে বের হতে পারছেনা।গত এক সপ্তাহ থেকে এ অঞ্চলে শীতের প্রকোপ বাড়লেও গত ৪ দিন থেকে শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। অধিকাংশ সময় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন এবং হিমেল হাওয়ায় শীত জেঁকে বসেছে বলে জানান আবহাওয়া অফিস।
গরম কাপড়ের জন্য হন্য হয়ে ছুটছে মানুষ।গতকাল এর চেয়ে শনিবার শীত ও কনকনে ঠান্ডা বাতাস বেশী হওয়ায় মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
পাবনা শহরের হর্কাস মার্কেটে দেখা গেছে আরো বেশি ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীর। প্রতি দোকানেই ভীর সড়ানো যাচ্ছেনা। সাধ্যমত গরম কাপড় কিনছে সবাই। এই সুযোগে ব্যাবসায়ীরা লুফে নিচ্ছে বাড়তি মুনাফাও।
বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ইতোমধ্যে শীত বস্ত বিতরণ করা শুরু করেছে কিন্তু সবাইকে এগিয়ে এসে অহসায় মানুষের পাশে দাড়নোর অাহবান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক।
পাবনার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এখনো শীত বস্ত হাতে বের হয়নি। তাদের এখুনি শীতবস্ত্র বিতরণ করা দরকার বলে মনে করা হচ্ছে। মানুষের মাঝে যেটুকু শীত বস্তু পৌঁছেছে তা চাহিদা তুলনায় অপ্রতুল।
এদিকে হাসপাতালে ঠান্ডা জনিত রোগীর সংক্ষা বাড়ছে এর মদ্ধে শিশু ও বয়স্করাই বেশী। পাবনা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক রঞ্জন কুমার দত্ত জানায় চলমান শৈত্য প্রবাহে হাসপাতালে ডাইরিয়া রোগীর সংক্ষা বাড়ছে।ঠান্ডায় আক্রান্ত রোগীরাও বাড়ছে।