বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না। একটি মহল বঙ্গবন্ধুকে সম্মান দিতে চায় না। তাঁকে সম্মান না দেয়া হলো জাতিকে অসম্মান করা। আওয়ামী লীগের অনেক হাইব্রিড নেতা ও ব্যবসায়ী আছেন, তারা নিজেদের স্বার্থে দলকে ব্যবহার করতে চান। এদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, একটি মহল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদেরকে হত্যা করে আওয়ামী লীগকে এ দেশ থেকে নিশ্চিন্ন করতে চেয়েছিল। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মেজর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার না করে কালো আইন জারি করেন।
হত্যাকারীদের পূনর্বাসিত করেন। কিন্ত তার সে চিন্তা ধুলিস্যাত হয়ে যায়। দীর্ঘ ২১ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে থেকে অনেক ছড়াই উত্রাই পেরিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে বিচার কাজ শুরু করেন। তিনি পর্যায়ক্রমে যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচার শুরু করেন। বাবার আদর্শে অনুপ্রানীত হয়ে সকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুকে দাড়াচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর কাছে কোন অপরাধীর ছাড় নেই। অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মূখোমূখি করতে তিনি বদ্ধপরিকর। তিনি যোগ্যলোককে চিনতে ভুল করে না। আমাদের সকলের উচিত তাকে সব দিক থেকে সহযোগিতা করা।
মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোনার পূর্বধলায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত দোয়া, আলোচনা সভা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্র্যাইব্যুনালের প্রধান সমন্বয়কারী মুক্তিযোদ্ধা মুহ্ আবদুল হাননান খান এ সব কথা বলেন।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ভাষা সৈনিক ইউনুস আলী মন্ডলের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রাশিদ, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আইয়ুব আলী, ধলামূলগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আরফান আলী, যুবলীগ নেতা রাশেদ খান সুজন, জাকির হোসেন খান, এমদাদুল হক প্রমুখ। এর আগে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের প্রথম বর্ষের মেধাবী ছাত্র উপজেলার গোহালাকান্দা ইউনিয়নের ঝিনাইকান্দি গ্রামের মো. ফজলুল হকের ছেলে সোলেমান সরকারকে মাসিক ৫ হাজার টাকার বৃত্তি প্রদান করা হয়। সব শেষে বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।