সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা।। করোনায় যখন গরীবরা পেটের ক্ষুধায় হা হা কার করছে টিক সেই মুহুর্ত দেখা যায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের হবতপুর গ্রামে ৩নম্বর ওয়াডের্র ইউপি সদস্য মো.ফখরু মিয়া অসহায় কর্মহীন মানুষদেরকে বাদ দিয়ে বিত্তশালীদেরকে দিয়েছেন খাদ্য সহায়তার অগ্রাধিকার।
মঙ্গলবার (২১এপ্রিল) হবতপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, অসহায় দরিদ্র কর্মহীন মানুষরা বাদ পড়েছেন লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের খাদ্য সহায়তা থেকে আর তালিকা উঠে এসেছেন বিত্তবানরা।
সাংবাদিকদের দেখে এগিয়ে আসেন একাদিক গরীব মানুষ এসে বলেন আপনারা কি আমাদের জন্য খাদ্য সামগ্রী নিয়ে এসেছেন, এমন প্রশ্নের জবাব ছিলনা আমাদের কাছে। তাদের জিঙ্গেস করলাম আপনাদের কি ইউনিয়ন পরিষদ বা আপনাদের মেম্বারে থেকে খাদ্য সহায়তা করেনি।
জবাবে তারা বলেন, আমাদের ফখরু মেম্বার আমাদের কোন খোজ রাখেনা, তার সাথে দেখা করতে গেলে সে বাসায় থেকেও নেই বলে আর সে আমাদের খাদ্য সামগ্রী দিবে সেটা ত দুরের কথা। আর চেয়ারম্যান সাহেব বলেন, তুমারা তুমাদের মেম্বারের কাছে যাও। এমন অবস্থায় এখন আমরা কি করব।
অসহায় মানুষ জমির উদ্দিন, মঈনউদ্দিন ও মকবুল আলী বলেন, আমি এখন কোন রুজি রোজগার করতে পারি না, অনেক বার ম্বেবারের কাছে গেসি কিন্তু এখন পর্যন্ত কিছু পাইনি।
লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের হবতপুর গ্রামে ৩নম্বর ওয়ার্ডের খাদ্য সহায়তার তালিকা খোজে দেখা যায় গ্রামের অসহায় মানুষদেরকে বাদ দিয়ে বিত্তবানদের খাদ্য সহায়তার তালিকা করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে লক্ষণশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াধুত কে একাধিবার ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তা ইয়াসমিন নাহার রুমা বলেন, হবতপুর গ্রামের গরীব মানুষকে আমি আলাদা ভাবে তালিকা করার জন্য চেরাম্যানকে নির্দেশ দিয়েছি আশা করছি তালিকাটা আজকে পেয়ে যাবো পেলে আমি আমার নিজ উদ্যোগে তাদেরকে খাদ্য সামগ্রী দিব। আর বিত্তশালী যারা খাদ্য সহায়তার তালিকা ঢুকে গেছে তাদেরকে বাদ দেওয়া হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক মোহাম্মদ এমরান হোসেন বলেন, ত্রাণ নিয়ে যদি কেউ কোন গাফিলতি করে এবং সেটা প্রমাণিত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।