জাককাইনবি ছাত্র হত্যার সুষ্ঠ তদন্তের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন
- প্রকাশের সয়ম :
সোমবার, ১১ মে, ২০২০
-
২২৩
বার দেখা হয়েছে

জাককানইবি সংবাদদাতা।। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের নিহত শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলামের হত্যাকাণ্ডের পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অধিকতর তদন্তের দাবী জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করেছে।
সোমবার বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জয় বাংলার ভাস্কর্যের সামনে সাধারণ শিক্ষকদের ব্যানারে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকগণ।
মানববন্ধনে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক শাহজাদা আহসান হাবীব।শিক্ষকদের পক্ষে অধিকতর তদন্তের দাবী জানিয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মাজহারুল হোসেন তোকদার।শিক্ষকরা বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন- পুলিশ তদন্ত শেষে যে বক্তব্য,সেই সাথে পরিবারের বক্তব্য এবং মেস মালিকের প্রকাশিত বক্তব্যের ফলে আমাদের বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন করছে। তাই অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে খুনের সাথে কারা কারা যুক্ত তা সনাক্ত করে দ্রুত বিচারের দাবী জানাই সেই সাথে পরবর্তী তদন্তটি যেন পিবিআই এর মাধ্যমে করা হয় । বিচার না পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা আন্দোলনে থাকবে বলে ঘোষণা দেয়া হয় মানববন্ধন থেকে।
এবিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর বলেন- শিক্ষকদের আন্দোলন সম্পর্কে আমরা অবগত। আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়েই তদন্ত করেছি। মামলার ৮০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই চার্জশীট দাখিল করা হবে। আর বাদী পক্ষ যদি তদন্তে সন্তুষ্ট না থাকে তবে তারা মহামান্য আদালতে অন্য সংস্তার কাছে তদন্ত হস্তান্তর এর জন্যে আবেদন করতে পারেন।
মামলার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে নিহতের মামা ফারুখ আহম্মেদ বলেন-আমরা অধিকতর তদন্তের দাবি জানাবো। তার পূর্বে মামলা কার্য সম্পন্ন করতে একজন আইনজীবীর প্রয়োজন। আমাদের তেমন পরিচিত কেউ নেই তবু চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
উল্লেখ্য গত পহেলা মে ময়মনসিংহ নগরীর তিন কোনা এলাকার একটি মেসে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে ভোর রাতে দুর্বীত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায় পরবর্তীতে মেস মালিক আহত অবস্থায় তৌহিদুলকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হত্যার তিন দিন পর পুলিশ আতিকুজ্জামান আশিক(২৭) নামের একজনকে আটক করে এবং সেই আটক আশিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় হত্যার স্বীকার করে জবানবন্ধী দেয়।
Please Share This Post in Your Social Media